সম্প্রতি শান্তিচুক্তির পক্ষে মউ স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা ও ইরান। তারপর থেকেই শিথীল হয়েছে হরমুজ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। সচল হয়েছে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল। এমতাবস্থায় হরমুজ পেরিয়ে ভারতের দিকে যাত্রা শুরু করেছে...
সম্প্রতি শান্তিচুক্তির পক্ষে মউ স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা ও ইরান। তারপর থেকেই শিথীল হয়েছে হরমুজ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। সচল হয়েছে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল। এমতাবস্থায় হরমুজ পেরিয়ে ভারতের দিকে যাত্রা শুরু করেছে অন্তত ১১টি জাহাজ। এছাড়াও আরও ২৬টি জাহাজ অপেক্ষায় রয়েছে পারস্য উপসাগরে। সেগুলিও নির্দেশ পেলে খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে হরমুজে জাহাজ চলাচলের পথ বাধামুক্ত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। কারণ সম্প্রতি ইরানের তরফে দাবি করা হয়েছে, হরমুজ আর কখনই সংঘর্ষের আগের অবস্থায় ফিরবে না। অর্থাৎ জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ওলেও এই পথের রাশ যে তেহরান তাদের কাছে রাখবে তা একপ্রকার ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তারা। তবে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে একটি 'টেলিফোন হটলাই'’ খুলতে রাজি হয়েছে ইরান। অন্য যেকোনও দেশের পণ্যবাহী জাহাজ এই পথ ধরে গেলে ওই হটলাইনে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানিয়েছে তারা।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই থেকেই শুরু হয় তিন যুযুধান দেশের মধ্যে সংঘর্ষ। বদলা নিতে ১১ মার্চ থেকে হরমুজ অবরুদ্ধ করে দেয় ইরান। হুঁশিয়ারি দেয়, কোনও জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার চেষ্টা করলেই তাতে হামলা হবে। যার ফলে অনির্দিষ্ট দিনের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে হরমুজের উভয় প্রান্ত। যদিও কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কিছু দেশের বাণিজ্যিক জাহাজকে সবুজ সংকেত দিয়েছিল ইরান। যার মধ্যে অন্যতম ছিল ভারত।