আর মাত্র পাঁচ মিনিট তারপরেই মারা যাব।' মৃত্যুর আগে ঠিক এমনই বলেছিলেন প্রবীণ মিত্তল! না কোন সিনেমার দৃশ্যের কথা বলছি না। বাস্তবে ঠিক এমনই ঘটেছে। গত সোমবারের রাত। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০ টা। নিজেদের এলাক...
আর মাত্র পাঁচ মিনিট তারপরেই মারা যাব।' মৃত্যুর আগে ঠিক এমনই বলেছিলেন প্রবীণ মিত্তল! না কোন সিনেমার দৃশ্যের কথা বলছি না। বাস্তবে ঠিক এমনই ঘটেছে। গত সোমবারের রাত। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০ টা। নিজেদের এলাকায় অন্য রাজ্যের একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় ব্যক্তির। সূত্রের খবর, গাড়িটির কাছে যেতেই ওই ব্যক্তি দেখতে পান একজন লোক মাথা ঝুঁকিয়ে গাড়ির ভিতরে বসে রয়েছেন। নাম প্রবীণ মিত্তল। জিজ্ঞাসা করতেই তিনি বলেন, 'আর মাত্র পাঁচ মিনিট তারপরেই মারা যাব।' শুনেই চক্ষুচড়ক গাছ স্থানীয় ওই ব্যক্তির। পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক নয় দেখে ওই ব্যক্তি তাঁর ভাইকে খবর দেয় বলেই জানা যায়।
সূত্রের খবর প্রবীণ মিত্তল-এর গাড়ির ভিতরে ৬ জনের মৃতদেহ লক্ষ্য করেন ওই দুই স্থানীয় ব্যক্তি। তারপরেই প্রবীণ মিত্তলকে জিজ্ঞাসা করতেই জানা যায় ওই মৃতদেহ ৬ জনই তাঁর পরিবারেরই সদস্য। এমন একটা হাড়হিম করা পরিস্থিতিতে ওই দুই স্থানীয় ব্যক্তি আরও লোকজন পুলিস, অ্যাম্বুল্যান্সকে খবর দেয়। প্রবীণ মিত্তলকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় বলেই সূত্রের খবর। গোটা ঘটনাটি হরিয়ানার পঞ্চকুলার বলেই জানা গিয়েছে।
একই পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু! এর কারণ কী? উঠছে প্রশ্ন। সূত্রের খবর পুলিসের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, 'প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে মিত্তল পরিবার বাজারে গলা পযর্ন্ত ধারে ডুবেছিল। তাঁদের একটি ব্যবসা ছিল। সেই ব্যবসায়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ত বাধ্য হন তাঁরা।' পাশাপাশি প্রবীণ মিত্তল তাঁর লেখা চিঠিতে আত্মহত্যার কারণ উল্লেখ করা গিয়েছেন বলেই সূত্রের খবর। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।