কোভিডের পাঁচ বছর পর ফের নয়া ভাইরাস আতঙ্ক। এবার থাবা বসালো হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (HMPV)। সংক্রমণ বাড়তেই কার্যথ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের মনে। যা নতুন করে দিয়েছে উসকে দিয়েছে কোভিড মহামারীর স্মৃত...
কোভিডের পাঁচ বছর পর ফের নয়া ভাইরাস আতঙ্ক। এবার থাবা বসালো হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (HMPV)। সংক্রমণ বাড়তেই কার্যথ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের মনে। যা নতুন করে দিয়েছে উসকে দিয়েছে কোভিড মহামারীর স্মৃতি। ইতিমধ্যে এইচএমপিভি নিয়ে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে চারিদিক দিয়ে।
অবশেষে এইচএমপিভি ভাইরাস প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দফতর জেনেভা থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে হু-র মুখপাত্র ডঃ মার্গারেট হ্যারিস বলেন, 'সম্প্রতি চিনে বিভিন্ন মরশুমি ফ্লু, আরএসভি, সার্স কোভি-২, এইচএমপিভি ও রাইনো ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। তবে এইচএমপিভি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ঋতু বদলের সময় এই ধরনের সংক্রমণ ছড়ানো খুব সাধারণ ঘটনা, যা প্রতি বছরই ঘটে থাকে।'
সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, যে মরশুমি ফ্লু বা সর্দি-কাশির যে উপসর্গ থাকে, এই ভাইরাসের সংক্রমণেও একই উপসর্গ দেখা যায়। তবে এই ভাইরাসও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণ ব্যক্তি এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তবে এইচএনপিভিতে মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রায় নেই বলেই আশ্বস্ত করেছে হু।
যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন HMPV নতুন কোনও ভাইরাস নয়। ২০০১ সালে তা প্রথম ধরা পড়ে নেদারল্যান্ডে। এর উপসর্গ অনেকটা কোভিডের মতো হলেও অতটা প্রাণঘাতী নয়। HMPV-র উপসর্গ সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বর। সঙ্গে আর পাঁচটা ভাইরাসের মতন গা হাত পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা, সঙ্গে নাক দিয়ে লাগাতার জল পড়া এবং গলা ব্যাথা, গন্ধ না পাওয়া। সাধারণত ১৪ বছরের নীচে শিশু এবং ৬৫ উর্দ্ধ বয়স্ক ব্যক্তিরাই এতে বেশী আক্রান্ত হন। তবে সমস্ত বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারেন বলে মত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।