প্রসূন গুপ্তঃ দশ বছর বাদে এবারের নির্বাচনের পরে লোকসভা আর একপেশে নেই। জমাট বিরোধী আসন। এখন নিশ্চয়ই আর নতুন প্রশাসনকে মোদী সরকার বলা যাবে না। বিজেপি নিজেই সংখ্যালঘু। তাদের জোট অর্থাৎ এনডিএর কল্যানে সরক...
প্রসূন গুপ্তঃ দশ বছর বাদে এবারের নির্বাচনের পরে লোকসভা আর একপেশে নেই। জমাট বিরোধী আসন। এখন নিশ্চয়ই আর নতুন প্রশাসনকে মোদী সরকার বলা যাবে না। বিজেপি নিজেই সংখ্যালঘু। তাদের জোট অর্থাৎ এনডিএর কল্যানে সরকার গড়া হয়েছে অবিশ্যি নরেন্দ্র মোদী তৃতীয় বারের জন্য ধারাবাহিক ভাবে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এর আগে পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু পরপর চার বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন যা ধরা প্রায় অসম্ভব।
বর্তমানে বিরোধী বলতে আর কংগ্রেস একা নয়, এখন বেশ কয়েক দলের সম্মেলনে জোট ইন্ডিয়া। এবারে দশ বছর বাদে কংগ্রেস সরকারি ভাবে বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে এবং রাহুল গান্ধী বিরোধী দলনেতা। বলা ভালো ২৩৪ সাংসদের নেতা।
ইতিমধ্যে শপথ অনুষ্ঠান এবং রাষ্ট্রপতির উভয় কক্ষের সমন্বয়ে ভাষন হয়ে গিয়েছে। এখন চলেছে জবাবী বক্তব্য। বিরোধীরা যেন এই সময়ের অপেক্ষায় ছিল। সোমবার থেকে একে একে রাহুল গান্ধী মহুয়া মৈত্র অখিলেশ যাদব তুলোধনা করেছেন সরকারকে। আক্রমনের মূল লক্ষ্য অবশ্যই নরেন্দ্র মোদী। মোদীর দশ বছরের দাপট, বিরোধীদের আমল না দেওয়া থেকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ব্যবহার এবং ভোটের সময় হিতাহিত জ্ঞান না করা প্রচারক এই হাতিয়ার করেছে বিরোধীরা।
মঙ্গলবার অবিশ্যি প্রধানমন্ত্রী তাঁর ধন্যবাদ ভাষনে ছেড়ে কথা বলেন নি। তাঁর ফের লক্ষ্য কংগ্রেস পার্টি। এদিন তাঁর হিন্দুত্ববাদীর মত ফের সামনে এসেছে। বিরোধীদের দায়িত্ব নিয়েও উপদেশ দিয়েছেন কিন্তু তাঁর দেড় ঘন্টার ভাষন প্রায় শোনাই যায় নি বিরোধীদের চিৎকারে। তবুও মোদীর দাপট কিন্তু কমে নি। পক্ষে বিপক্ষের এই সুস্থ লড়াই কিন্তু শেষ পর্যন্ত গনতন্ত্রের শুভ লক্ষণ।