শুক্রবার সকাল থেকেই সংসদের সেন্ট্রাল হল সরগরম এনডিএ-র বৈঠক নিয়ে। উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা। বিজেপির সমস্ত নবনির্বাচিত সাংসদরাও উপস্থিত র...
শুক্রবার সকাল থেকেই সংসদের সেন্ট্রাল হল সরগরম এনডিএ-র বৈঠক নিয়ে। উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা। বিজেপির সমস্ত নবনির্বাচিত সাংসদরাও উপস্থিত রয়েছে। এছাড়াও বৈঠকে যোগ দিয়েছেন জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার, টিডিপি প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু, জনসেনা দলের প্রধান পবন কল্যাণ, এলজেপির প্রধান চিরাগ পাসওয়ান প্রমুখ। সর্বসম্মতিতে তৃতীয় বার দিল্লির কুর্সিতে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। আগামী রবিবার প্রধনমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান।
বৈঠকে মোদী বক্তব্যে জানিয়েছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠন সংবিধানের নিয়মে নেই। সে কারণেই শরিক এনডিএ জোটে গঠন হবে সরকার। শরিকদলের সম্মতিতে এনডিএ-র দলনেতা হওয়ায় দায়িত্ব বাড়ার কথা স্বীকার মোদীর। গরীবদের কল্যাণ করাই এনডিএ জোটের একমাত্র পুঁজি। জোট সরকার হওয়ায় শরিকদের সঙ্গে বিশ্বাস আরও মোজবুত হল বলে দাবি তাঁর। তাঁর উপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান শরিকদের। টানা প্রায় ১ ঘন্টার বক্তব্যে আরও বলেন, আগেও এনডিএ সরকার ছিল, এখনও আছে। এনডিএ-র উপর দেশবাসী ভরসা রেখেছে,এতে এনডিএ জোটের দায়িত্ব বেড়েছে। “ আমি মানছি এবং বিশ্বও মানবে, ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল এনডিএ-র মহা বিজয়। এবার থেকে এনডিএ জোট এক সঙ্গে সরকারকে এগোয়ে নিয়ে যাবে। আদিবাসীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে মোদী বলেন, দেশে ২২টি রাজ্যে আদিবাসীর সংখ্যা বেশি । তার মধ্যে ৭টি রাজ্যে এনডিএ জোট জিতেছে। এখন সংসদে সহমত হয়ে সরকার চালানো লক্ষ এনডিএ-র ” মন্তব্য মোদীর।
ইণ্ডিয়া জোট সম্পর্কে মোদী বলেছেন, “ ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা পুরনো চিন্তাধারার মানুষ। এরা প্রযুক্তিকে স্বীকার করতে চায় না। এটা শুধু ইভিএম নয়, ইউপিআই নিয়ে যখন আমরা বললাম দেশের মানুষ ডিজিটাল পেমেন্ট করবে, এরা বিশ্বাস করতে চায়নি। আধার দেশের পরিচয় হয়ে উঠেছে, আধার কার্ড নিয়েও বাধা দেওয়ার জন্য বারবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। এরা প্রগতি, আধুনিকতা ও প্রযুক্তির বিরোধী।”
শুক্রবার বিকেলে এনডিএ জোট সরকার গড়ার আর্জি নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যাছেন তা চূড়ান্ত করলেন নরেন্দ্র মোদী। দিল্লিজুড়ে এখন শুধুই তৃতীয় বারের সরকার গড়ার প্রস্তুতি। এই জোট সরকার কতটা দক্ষতার সঙ্গে সরকার চালাতে সক্ষম তাঁর অপেক্ষায় দেশবাসী।