নরেন্দ্র মোদী সরকারের নতুন লক্ষ্য ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য পূরণ করতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভার্চুয়ালি সূচনা করলেন ‘নেশা মুক্ত যুব ফর বিকশিত ভারত সঙ্কল্প অভিয...
নরেন্দ্র মোদী সরকারের নতুন লক্ষ্য ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য পূরণ করতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভার্চুয়ালি সূচনা করলেন ‘নেশা মুক্ত যুব ফর বিকশিত ভারত সঙ্কল্প অভিযান’। যুবসমাজকে সব ধরনের নেশা বা মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে এই দেশব্যাপী প্রচার অভিযান শুরু হয়েছে।
এই দিন ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশজুড়ে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নেন, যাঁদের অনেকেই নিজেদের 'জেন-জি'-র প্রতিনিধি বলে উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি সরকারি পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের উত্তাপের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই যুবমুখী বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রচার অভিযানের মূল লক্ষ্য হল যুবসমাজকে মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখা এবং তাদের নিজের সম্প্রদায়ের ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের ‘দূত’ বা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে গড়ে তোলা। এটি কেবল যুবকদের জন্যই নয়, বরং তাঁদের পরিবার, সমাজ এবং গোটা দেশের কল্যাণের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
১০০ সপ্তাহের ‘জন ভাগিদারি’ কর্মসূচি
এই অভিযানের অঙ্গ হিসেবে আগামী ১০০ সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে প্রতি রবিবার ‘জন ভাগিদারি’ কর্মসূচি পালিত হবে। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, খেলাধুলো ও স্পোর্টস ইভেন্ট, ওয়াকথন ও ম্যারাথন দৌড়, ধ্যান বা মেডিটেশন সেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পথনাটক (নুক্কড় নাটক), আলোচনা সভা ও শিল্প প্রতিযোগিতা এবং কমিউনিটি এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'নেশা মুক্ত ভারত’ (মাদকমুক্ত ভারত) গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ২০২০ সালে ‘নেশা মুক্ত ভারত অভিযান’ শুরু হয়েছিল, আর আজকের এই নতুন পদক্ষেপ সেই রাস্তাকেই আরও প্রসারিত করবে।