বিহারকে যে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া সম্ভব না, আগেই ঘোষণা করেছিল মোদী সরকার। তবে তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম বাজেটে বিহারকে ভরিয়ে দিলেন নির্মলা সীতারমণ। অন্য দেশের বন্যার জেরে ভাসতে হয় বিহারকে। তাই&nbs...
বিহারকে যে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া সম্ভব না, আগেই ঘোষণা করেছিল মোদী সরকার। তবে তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম বাজেটে বিহারকে ভরিয়ে দিলেন নির্মলা সীতারমণ। অন্য দেশের বন্যার জেরে ভাসতে হয় বিহারকে। তাই বিহারের জন্য বিশেষ ভাবনা কেন্দ্রের। কেন্দ্রীয় বাজেটে এ বার বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশে। বিরোধীরাএবারের বাজেটকে বিহার-অন্ধ্রের বাজেট বলে কটাক্ষও করছে। কটাক্ষ আসবে, জানতেন নির্মলা সীতারমণও। তবু মঙ্গলবার বিহার-অন্ধ্রকে যেন উপহারে ভরিয়ে দিলেন নির্মলা। বিহারের পরিকাঠামো উন্নয়নেও ২৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী
সরকার গড়ার সময়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কিছু শর্ত দিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। বিহারের অনগ্রসরতার কথা তুলে ধরে দীর্ঘ দিন ধরেই বিহারকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে সরব তিনি। মোদী সরকারের কাছেও রেখেছিলেন সেই বিশেষ রাজ্যের মর্যাদার দাবি। ছিল বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবিও। বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া যে সম্ভব নয়, সোমবারই তা স্পষ্ট করেছিল মোদী সরকার। বাজতে শুরু করেছিল বিরোধীদের কটাক্ষের সুর। কিন্তু মঙ্গলবারের মোদী সরকারের বাজেটে নিরাশ না নীতীশ কুমার। একসময় বিহার-ঝাড়খণ্ড মিলে ছিল বিহার রাজ্য। বিভিন্ন খনি বা শিল্প ছিল ঝাড়খণ্ডের অঞ্চলেই। ঝাড়খণ্ড নতুন রাজ্য হওয়ার পর কার্যত অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়েছে বিহার।
জাতীয় রাজনীতিতে বিহারের দলগুলির জোট রাজনীতি যত না উন্নতি করেছে বিহারের, তার চেয়ে বেশি উঠেছে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ। এবারের বাজেটে বিহারে নতুন বিমানবন্দর, সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে, মেডিক্যাল কলেজ, ক্রীড়া পরিকাঠামো তৈরি করতে বিশাল অঙ্কের টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এখন দেখার, কেন্দ্রের শাসক জোটে থেকে বিহারকে আরও কত সমৃদ্ধশালী করতে পারেন নীতীশ কুমার। নীতীশের সঙ্গে কতটা সাথ দেন নরেন্দ্র মোদী। সকালটা যে শুভ, জানান দিল তৃতীয় মোদী সরকারের নির্মলা সীতারমণের প্রথম বাজেট।