SIR বিতর্কে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। এই অবস্থায় খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। সম্প্রতি প্রকাশিত সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দুই সহকর্মীকে অন্ধকারে র...
SIR বিতর্কে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। এই অবস্থায় খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। সম্প্রতি প্রকাশিত সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দুই সহকর্মীকে অন্ধকারে রেখে একের পর এক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁর বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল শীর্ষ আদালতে।
শুক্রবার আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর আর্জি, দুই নির্বাচন কমিশনারকে উপেক্ষা করে জ্ঞানেশ কুমার যে সমস্ত গাইডলাইন জারি করেছেন, সফটওয়্যারে বদল এনেছেন এবং নির্দেশিকা দিয়েছেন, সেগুলিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করতে হবে। শুধু তাই নয়, CEC-কে ‘সাধারণ অভিযুক্তের মতো’ বিচারের আওতায় আনার দাবিও তোলা হয়েছে মামলায়।
মামলায় কী কী দাবি?
১) গত ১০ মাসে ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন কমিশনার বিবেক জোশী ও সুখবীর সিং সান্ধু। তাঁদের উপেক্ষা করে নেওয়া সব সিদ্ধান্ত খারিজ করতে হবে।
২) নতুন ভোটারদের জন্য পুরনো ফর্ম-৬ ফেরাতে হবে। অভিযোগ, SIR পর্বে নিয়ম না মেনে ওই ফর্মে নতুন প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে।
৩) SIR-এর নামে ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ১৩ কোটিরও বেশি নাম কীভাবে বাদ গেল, তা খতিয়ে দেখতে SIT গঠন করে তদন্ত।
৪) দায়িত্বে গাফিলতির জন্য সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার মণীশ গর্গ এবং DG (IT) সীমা খন্নাকেও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩২ ধারায় তদন্তের আওতায় আনা।
মামলাকারীর যুক্তি, ২০২৩ সালের আইনে কমিশনাররা বিশেষ রক্ষাকবচ পান ঠিকই, কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একা কমিশনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। মতভেদ হলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতেই সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। তা না করায় জ্ঞানেশের রক্ষাকবচ বাতিল হওয়া উচিত। আবেদনে বলা হয়েছে, 'যখন কাজ ও সরকারি দায়বদ্ধতার মধ্যে সামঞ্জস্য থাকে না, তখন যৌক্তিক সংযোগ বাতিল হয়, ফলে ১৬ নম্বর ধারার রক্ষাকবচও অকার্যকর হয়ে যায়।'