মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার আসরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশের পদত্যাগ দাবি করলেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ...
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার আসরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশের পদত্যাগ দাবি করলেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কারা। না হলে দেশজুড়ে ফের যন্তর মন্তর-স্টাইলে আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।
তিনটি দাবিকে সামনে রেখে জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবি তুলেছে ককরোচরা। সেগুলি হল-
১.শুধু পদত্যাগ নয়, জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরুর করতে হবে। তাঁকে কে বা কারা নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা প্রকাশ্যে আনার দাবিও তুলেছে সিজেপি।
২. সামনের সব নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে, অবিলম্বে এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। ২০২৫-এর জানুয়ারির ভোটার তালিকা ফিরিয়ে আনা, এসআইআর-এর সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ কমিটি গঠন এবং সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টের হেফাজতে রাখার দাবি।
৩. ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বাতিল করে নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি।
বৈঠকে অভিজিৎ দীপকে বলেন, 'মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী। তিনি গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক। তাঁর এখনই পদত্যাগ করা উচিত। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ না করলে সারা দেশে প্রতিবাদে নামবে ককরোচ জনতা পার্টি। উনি না সরা পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না।'
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতের একটি প্রথম সারির সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে হইচই শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সঁধু এবং বিবেক জোশী অভিযোগ করেছেন, তাঁদের অন্ধকারে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন জ্ঞানেশ। বিশেষ করে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও এসআইআর নিয়ে গত ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। কমিশন ঐকমত্যের কথা বললেও বিতর্ক থামেনি, বিরোধীরাও জ্ঞানেশের পদত্যাগ চাইছে। এবার সেই তালিকায় যোগ দিল সিজেপি-ও।