নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ নিয়ে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি এবং তাঁর জোট সঙ্গীরা। কিন্তু কাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হবে? তাই নিয়ে চর্চা তুঙ্গে মহারাষ্ট্রের ভোটের ফলা প্রকাশের পর থেকেই। মারাঠা ভূমির ...
নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ নিয়ে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি এবং তাঁর জোট সঙ্গীরা। কিন্তু কাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হবে? তাই নিয়ে চর্চা তুঙ্গে মহারাষ্ট্রের ভোটের ফলা প্রকাশের পর থেকেই। মারাঠা ভূমির মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে বসবেন তা নিয়ে জোর আলোচনা হচ্ছে রাজধানী দিল্লিতেও। আজ অর্থাৎ সপ্তাহের শুরুতেই এই জল্পনার অবসান হতে পারে, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন একনাথ শিল্ডে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একনাথ শিন্ডে গত আড়াই বছর ধরে কাজ করেছেন। কাজ করে যে তিনি সন্তুষ্ট সেটা নিজেই জানিয়েছেন। আগামী দিনে যে পদ পাবেন, সেখানেই কাজ করবেন। রবিবার তিনি জানিয়েছেন, মহাজুটি তিনটি দলেরই ভাল বোঝাপড়া রয়েছে এবং আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।
রবিবার শিল্ডে জানিয়েছেন, আমি ইতিমধ্যে দলীয় নেতৃত্বকে আমার নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছি এবং আমি তাদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করব। গত আড়াই বছরে আমাদের সরকারের কাজ ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তাই জনগণ আমাদের ঐতিহাসিক জনাদেশ দিয়ছেন আমাদের। এবং বিরোধীদেরকে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের সুযোগ দেযননি। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা যে আগামীকালই ঠিক হবে সেই প্রসঙ্গে শিন্ডে বলেছেন, এই সরকার মানুষের সরকার। আমি আমার ভূমিকা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিজেপি বিধায়কেরা সোমবার বৈঠকে বসছেন। তারপরেই মুখ্যামন্ত্রীর নাম স্থির হবে এটা নিয়ে ভাবনার কোনও অবকাশ নেই. মহারাষ্ট্রের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে তাঁর ছেলে শ্রীকান্ত শিন্ডেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য বিবেচনা করা হবে কিনা সেই নিয়েও মুখ খুলেছেন। যদিও এউ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি বলেই তিনি জানান। শিন্ডে বলেছেন, আমি আমার গ্রামে এসেছি কারণ আমি এখানে আনন্দ অনুভব করি। আমি এখানে এলে মানুষের অনুভূতি কেমন তা বুঝতে পারি। এই কারণেই আমরা একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করেছি যেখানে একটি পরিবারের প্রতিটি সদস্য আমাদের স্কিমগুলির মাধ্যমে কিছু সুবিধা পায়। আমি সাধারণ মানুষ হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করেছি।