মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কবাণের আবহেই জাপান সফরে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত শুক্রবারই সেখানে পৌঁছে এক সভায় জাপান ও ভারতের একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি! জানা গিয়...
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কবাণের আবহেই জাপান সফরে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত শুক্রবারই সেখানে পৌঁছে এক সভায় জাপান ও ভারতের একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি! জানা গিয়েছে, সম্প্রতি মোদী বলেছেন, 'ভারতের উন্নয়ন হচ্ছে। আর খুব ভালোভাবেই হচ্ছে। যেখানে জাপান একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, এটা বলায় যায়। গোটা বিশ্ব যে শুধু ভারতকে দেখছে এমনটা একেবারেই না, বরং ভারতের উপরই নির্ভর করছে গোটা বিশ্ব। খুব শীঘ্রই ভারত-জাপান একসঙ্গে পরমাণু শক্তি নিয়ে কাজ করতে চলেছে।' এরই মধ্যে ভারতের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঘটনার তীব্র বিরোধিতা ও নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছে জাপান! যেখানে টোকিও আদতে ভারতের সঙ্গে মিলে যৌথভাবে বিবৃতি দিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। ঠিক কী জানান হয়েছে বিবৃতিতে?
সূত্রের খবর, পাকিস্তানি বিভিন্ন গোষ্ঠী সহ বহু জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে ভারত-জাপান। পাশাপাশি ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'পহেলগাঁওতে যে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে তা সত্যি খুব নিন্দনীয়। যে যে অপরাধী বা যারা এই হামলার কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের সবার বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করতে হবে। আল কায়েদা, জইশ-ই-মহম্মদ-এর মত একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে, অবশ্যই সেটা একসঙ্গে। বিশ্ব থেকে সন্ত্রাসবাদকে পুরোপুরি নির্মূল করতেই হবে।' কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, 'জাপান ও ভারতের নয়া সমীকরণ হতে চলেছে।'
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই জাপানে পৌঁছে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। দুদিনের জাপান সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে মোদীর, যার মধ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে দেখা করে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর। এমনকি বাণিজ্যচুক্তি সই করারও সম্ভাবনা রয়েছে। জাপান সফর শেষ করে চিনে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদীর।
জানা গিয়েছে, কিছুদিনের মধ্যেই চিনে শুরু হতে চলেছে এসসিও সম্মেলন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এসসিও সক্রান্ত বৈঠকেরও সম্ভাবনাও রয়েছে মোদীর। তবে তার আগেই চিন ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানের একান্তে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহল। যেখানে দুই দেশের বাণিজ্য, অর্থনীতি সহ বিভিন্ন আলোচনা হতে পারে। যদি তাই হয়, সেক্ষেত্রে নয়াদিল্লি ও বেজিং সম্পর্ক যে অনেকটাই মসৃণ হবে! সেই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।