ভূমিধসে বিপর্যস্ত ওয়েনাড়। এখনও অব্য়াহত মৃত্য়ু মিছিল। ক্রমশ যেন বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্য়া। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওয়েনাড়ে মৃত বেড়ে ৩০৮। আহতদের ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালে। এ পর্যন্ত হাজারের ...
ভূমিধসে বিপর্যস্ত ওয়েনাড়। এখনও অব্য়াহত মৃত্য়ু মিছিল। ক্রমশ যেন বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্য়া। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওয়েনাড়ে মৃত বেড়ে ৩০৮। আহতদের ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালে। এ পর্যন্ত হাজারের অধিক বাসিন্দাকে উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। শতাধিক মানুষ এখনও নিখোঁজ। ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না চলছে তাঁর খোঁজ।
আজ, শুক্রবারও ধস কবলিত এলাকায় হচ্ছে ভারি বৃষ্টি। ফলে ব্যাহত হচ্ছে তল্লাশির কাজ। চূড়ামালায় ছোট নদীর উপর ১৯০ ফুট লম্বা বেইলি ব্রীজ চালু হওয়ায় আরও বেশি উদ্ধারকর্মী এবং যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে মৃতদেহের খোঁজ চালাতে ধসে বিধ্বস্ত এলাকাকে ৬টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এই কাজ চালাবে ৪০টি দল। সঙ্গে থাকছে ডগ স্কোয়াড। পাশাপাশি চালিয়ার নদী বরাবর ৪০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে ভেসে যাওয়া দেহের সন্ধান চলেছে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সকলের মধ্য়ে।
জঙ্গল ঘেরা পশ্চিমঘাট পর্বতের মুন্ডাক্কাই, ছুরালমালা, আট্টামালা এলাকা এখন ধ্বংসস্তূপের চেহারায়। এর মধ্যেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ি নদীর জল অতিক্রম করে আটকে থাকা কিছু গ্রামবাসীকে উদ্ধার করেছে সেনা বাহিনী ও এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। কয়েকশ মানুষ ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখনই কেরলের জন্য চিন্তা মুক্তির কোনও কারণ নেই। মৌসম ভবন ওয়েনাড় ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে।