পহেলগাঁও ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে গত শনিবার আচমকাই সেই যুদ্ধবিরতি করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রথম ...
পহেলগাঁও ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে গত শনিবার আচমকাই সেই যুদ্ধবিরতি করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রথম সেই খবর জানান। যেখানে তিনি বলেছিলেন, 'আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে যেতে রাজি হয়েছে।' তার কিছুক্ষনের মধ্যেই ভারতের বিদেশমন্ত্রক সংঘর্ষবিরতির কথা জানিয়েছিল। তবে কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও পরবর্তীতে একাধিক প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। 'কেন আচমকা যুদ্ধবিরতির সিদ্বান্ত নেওয়া হল? পহেলগাঁও ঘটনার শুরু থেকে এখনও অবধি কী কি হয়েছে? সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডেকে তার সমস্ত ব্যাখা দিতে হবে কেন্দ্র সরকারকে।' সূত্রের খবর এমনই দাবি তুলেছে কংগ্রেস সহ প্রধান বিরোধী দলগুলি।
সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদীর সরকারের উদ্দেশ্যে কংগ্রেসের প্রচার বিভাগের প্রধান জয়রাম রমেশ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, 'প্রধানমন্ত্রীর উচিত সর্বদল বৈঠক ডেকে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে গোটা বিষয়টি জানানো। পহেলগাঁও ঘটনার শুরু থেকে এখনও অবধি কী কি হয়েছে? সেই সব কিছু সরকারের জানান দরকার।' একই ভাবে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবও। তিনি বলেছেন, 'কেন হঠাৎ এমনভাবে সংঘর্ষবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল! তার কারণ ব্যাখ্যা করা দরকার সরকারের। আর সেটা অবশ্যই সবার সামনে করা উচিত।' এখন দেখার বিরোধীদের এমন মন্তব্যে কেন্দ্র সরকার পাল্টা কী বলে? সেই সঙ্গে কোন সিদ্ধান্তে নেয়!
উলেখ্য, যুদ্ধবিরতির পর জম্মু ও কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। গত শনিবারই তড়িঘড়ি ব্ল্যাকআউট করা হয় গোটা জম্মু-কাশ্মীর, পঞ্জাব, রাজস্থানের একাধিক এলাকায়। বাজানো হয় সাইরেনও। যদিও পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতও। কিন্তু সেই হামলার কথা অস্বীকার করে নির্লজ্জ পাকিস্তানের দাবি, 'ভারতীয় সেনাই সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছে।'