জয়নগরে ছোট্ট একরত্তির মৃত্যু নিয়ে নানান অভিযোগ উঠেছে। পুলিসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বারেবারে। তাই পুলিসের তদন্তে ভরসা পাচ্ছেন না মৃত শিশুর পরিবার। তাঁদের দাবি সিবিআইয়ের হস্তক্ষেপে হোক তদন্ত। সেই স...
জয়নগরে ছোট্ট একরত্তির মৃত্যু নিয়ে নানান অভিযোগ উঠেছে। পুলিসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বারেবারে। তাই পুলিসের তদন্তে ভরসা পাচ্ছেন না মৃত শিশুর পরিবার। তাঁদের দাবি সিবিআইয়ের হস্তক্ষেপে হোক তদন্ত। সেই সংক্রান্ত মামলা সোমবার ওঠে কলকাতা হাইকোর্টে। জয়নগরের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী অনামিকা পাণ্ডে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি বলেন, আগে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আদালত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। একইসাথে প্রধান বিচারপতি আইনজীবীকে অপেক্ষা করার নির্দেশ দিলেন।প্রয়োজনে পুজার ছুটির পরে এ বিষয়ে মামলা হতে পারে বলে জানালেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।
শুক্রবার রাতে জয়নগরে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে জলাভূমি থেকে ন’বছরের শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়। রাতেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকেও। অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। শনিবার এই ঘটনার জেরে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে মহিষমারি এলাকা। পুলিশ ফাঁড়িতেও উত্তেজিত জনতা আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। অভিযোগ, শিশু নিখোঁজের অভিযোগকে প্রথমে গুরুত্ব দিতে চায়নি পুলিশ। বরং ওই শিশুর পরিবারকে থানা থেকে থানায় ঘোরানো হয়েছিল। রবিবারও দিনভর উত্তপ্ত ছিল মহিষমারি।
নিহত নাবালিকার ময়নাতদন্ত কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে চেয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। রবিবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নির্দেশে জরুরী ভিত্তিতে শুনানিতে বসেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। ধর্ষণের অভিযোগের পরেও কেন পকসো মামলা রুজু হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। শেষ পর্যন্ত নিরদেশ দেন ওই শিশুর ময়নাতদন্তে হবে কল্যাণী এইমসে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী আজ সকালেই দেহ নিয়ে যাওয়া হয় কল্যাণীর উদ্দেশ্যে। এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের উপর দাঁড়িয়ে এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ।