রাজ্য পুলিসে ভরসা নেই। ম্যাডিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভিডিওগ্রাফি হলেই ময়নাতদন্ত হবে, এমনটাই জানিয়ে দিল জয়নগরের নির্যাতিতা শিশুর পরিবার। শুধু তাই নয়, দেহ সংরক্ষণ করার জন্য বারুইপুর আদালতে দ্বারস্থ পরিবার।...
রাজ্য পুলিসে ভরসা নেই। ম্যাডিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভিডিওগ্রাফি হলেই ময়নাতদন্ত হবে, এমনটাই জানিয়ে দিল জয়নগরের নির্যাতিতা শিশুর পরিবার। শুধু তাই নয়, দেহ সংরক্ষণ করার জন্য বারুইপুর আদালতে দ্বারস্থ পরিবার। এদিকে পুলিস চায় রবিবারই হবে ময়নাতদন্ত। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে জয়নগর। পুলিসকে ঝাঁটা হাতে ধাওয়া করেন স্থানীয়রা। এলাকায় দফায় দফায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখান স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতা থানায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। সেই ঘটনায় পুলিস কাউকে গ্রেফতার করেনি। তদন্ত চলছে।
ময়নাতদন্তে আপত্তি নেই পরিবারের। তবে, ময়নাতদন্ত হলেও দেহ এখনই সৎকার করতে চায় না পরিবার। ময়নাতদন্তের পর দেহ সংরক্ষণ করার দাবি শিশুর বাবার। প্রথমবার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে, দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের সুযোগ যাতে থাকে, তাই দেহ সংরক্ষণের দাবি তাদের। অন্যদিকে পুলিস জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে ধর্ষণ করেনি। অভিযোগ, মুখ চেপে ধরতেই শিশুটি মারা যাওয়ায় ভয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। সেক্ষেত্রে এই ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ চাপা পড়তে পারে বলে আশঙ্কা পুলিসের। তাছাড়া পুলিসের বিরুদ্ধেই যেহেতু পরিবারের অভিযোগ। সেক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনেক কিছু গোপন হতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই দেহ সংরক্ষণ করার দাবি পরিবারের।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে চতুর্থ শ্রেণীর ওই শিশুটি টিউশন পড়তে গিয়েছিল। সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। অভিযোগ, বাড়ি ফেরার পথেই নিখোঁজ হয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে তার খোঁজ না পেয়ে পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। এরপর পুলিস শুক্রবার রাতে জয়নগরের মহিষমারি এলাকায় পুকুর থেকে উদ্ধার করে এক নাবালিকার দেহ। এরপর দেহ কাঁটাপুকুর মর্গে পৌঁছলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি। রণক্ষেত্রের রূপ নেয় কুলতলি।