জিয়াগঞ্জে ৪ নাবালকের বাড়ি ছাড়ার চেষ্টা। কাজের নাম করে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা নাবালকদের। জিয়াগঞ্জ রেল স্টেশনে উদ্ধার ৪ নাবালক। খুশি পরিবার। বাড়ি থেকে পালিয়ে ছিল কাঞ্চন। বাড়ি ছেড়েছ...
জিয়াগঞ্জে ৪ নাবালকের বাড়ি ছাড়ার চেষ্টা। কাজের নাম করে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা নাবালকদের। জিয়াগঞ্জ রেল স্টেশনে উদ্ধার ৪ নাবালক। খুশি পরিবার। বাড়ি থেকে পালিয়ে ছিল কাঞ্চন। বাড়ি ছেড়েছিল বাবার শাসন ও প্রতিবাদে। কপর্দকহীন অবস্থায় বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিল কলকাতায়। তারপর কাঞ্চনের এক অন্য জীবন শুরু হয়।
বাড়ি থেকে পালিয়ে উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে কাঞ্চনের অ্যাডভেঞ্চারমূলক জীবন কাহিনি তুলে ধরেছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। পড়াশোনার ভয়ে বাড়ি ছাড়তে চেয়েছিল ওরাও। পিঠে ব্যাগ নিয়ে গুটি গুটি পায়ে পৌঁছে গিয়েছিল স্টেশনে। পরিকল্পনা ছিল, বাড়িতে না জানিয়ে অন্য শহরে গিয়ে কিছু কাজ করে নিজের পায়ে দাঁড়াবে। কিন্তু গোল বাধল পাড়ার এক দাদা দেখে ফেলায়। মাঠে মারা গেল পুরো পরিকল্পনা। ফিরতে হল বাড়িতে। মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জের ঘটনা। বৃহস্পতিবার রাতে জিয়াগঞ্জ স্টেশন লাগোয়া বাগডহরা গ্রামের চার নাবালককে স্টেশনে ঘুরতে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুরো বিষয়টা সামনে আসে। নাবালকদের দাবি, অজ্ঞাতপরিচয়ের এক ব্যক্তি কাজ দেওয়ার নাম করে তাদের নিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি নজরে আসতেই বাড়ির লোক স্টেশনে পৌঁছে নাবালকদের ফিরিয়ে আনে। গোটা ঘটনার ভিডিও ভাইরাল। ভাইরাল ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সিএন।
প্রশ্ন উঠছে, কে বা কারা ওই নাবালকদের কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল? আইনত নাবালকদের কাজ করানো যায় না। তারপরেও কীভাবে কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হল নাবালকদের? নেপথ্যে কি অন্য কিছু? যদিও, নাবালকদের কাজের প্রলোভন দেখানো ব্যক্তির খোঁজ মেলেনি। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে। স্বস্তি অভিভাবকদের মনে।