সংখ্যালঘু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর জামিনের মামলাটি এগিয়ে আনার আবেদনের শুনানিই হল না। আজ, বুধবার খারিজ করে দেওয়া হল আবেদন। চিন্ময়ের হয়ে সওয়ালে না করে দেন চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবীরা। আন্তর্জাতিক সং...
সংখ্যালঘু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর জামিনের মামলাটি এগিয়ে আনার আবেদনের শুনানিই হল না। আজ, বুধবার খারিজ করে দেওয়া হল আবেদন। চিন্ময়ের হয়ে সওয়ালে না করে দেন চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবীরা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, চিন্ময়ের মামলা এগিয়ে আনার জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে এসে আবেদন করেছিলেন এক আইনজীবী। কিন্তু তাঁর আবেদনের কোনও শুনানিই হয়নি বুধবার।
আবেদনকারী আইনজীবীর অভিযোগ, চট্টগ্রামের কোর্টে বাকি আইনজীবীরা তাঁর আবেদনের বিরোধিতা করেছেন এবং বিচারকের সামনে সম্মিলিতভাবে চিৎকার করে বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়েছেন। যদিও বাধা দেওয়ার কথা স্বীকার করেননি কোনও আইনজীবী। অভিযোগ, ঢাকা থেকে যে আইনজীবী চিন্ময়কৃষ্ণের মামলার শুনানির জন্য গিয়েছিলেন, তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় ওকালতনামা ছিল না। সেই কারণে আবেদনটি খারিজ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকে। পরে খারিজ হয় যায় প্রভুর জামিনের আবেদন। ডিসেম্বরের শুরুতে চিন্ময়কৃষ্ণের মামলাটি আদালতে উঠলেও নিজের পক্ষে কোনও আইনজীবীকে পাননি। তাই এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয় তাঁর মামলাটি। আগামী বছরের ২ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই শুনানি এগিয়ে আনার জন্য নতুন করে আবেদন করেছিলেন আইনজীবী। এমনকি, যে মামলায় চিন্ময়কে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই মামলায় তাঁর পক্ষে আইনজীবী হিসাবে লড়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আদালতে মান্যতা পেল না তাঁর আবেদন। তাঁর কথায়, ‘‘চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে এখানকার কোনও আইনজীবী লড়তে চাইছেন না। আমি আবেদন করেছিলেন। বিচারক তা মঞ্জুর করতে চাইছিলেন। কিন্তু সে সময়ে আদালত কক্ষে শতাধিক আইনজীবী আমার বিরোধিতায় চিৎকার করতে থাকেন। আমার আবেদন না-মঞ্জুর হয়েছে।’’
প্রসঙ্গত, ইসকনের সন্নাস্যী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির পর থেকেই নতুন করে উত্তাল হয়েছে বাংলাদেশ। নতুন অত্যাচার শুরু হয়েছে হিন্দুদের উপর। চট্টগ্রাম, রংপুরের মতো এলাকায় গ্রেফতারির প্রতিবাদে এবং সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবিতে পথে নেমেছিলেন সংখ্যালঘুরা। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতও, যার ফলে দুই দেশের সম্পর্কের কিছুটা অবনতি হয়েছে। ভারত বিরোধিতায় একাধিক পদক্ষেপ করছে ইউনূস সরকার। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ভারত বিরোধিতায় সুর চড়ায় বাংলাদেশ সেনার প্রাক্তন কর্মীরা। ভারতের বিরোধিতা করে মিছিল করেন সেদেশের প্রাক্তন সেনাকর্মীরা। সেখান থেকে উঠল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও স্লোগান।