বর্তমানে আমেরিকা-ভারতের সম্পর্ক ধীরে ধীরে অবনতির দিকে যাচ্ছে! নেপথ্যে ভারতের উপর চাপান ট্রাম্প প্রশাসনের চড়া হারে শুল্ক। ইতিমধ্যেই যা ভারতের উপর কার্যকর হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, 'নিষেধাজ্ঞার থ...
বর্তমানে আমেরিকা-ভারতের সম্পর্ক ধীরে ধীরে অবনতির দিকে যাচ্ছে! নেপথ্যে ভারতের উপর চাপান ট্রাম্প প্রশাসনের চড়া হারে শুল্ক। ইতিমধ্যেই যা ভারতের উপর কার্যকর হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, 'নিষেধাজ্ঞার থাকার পরও রাশিয়ার থেকে তেল কিনেছে ভারত।' কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাশিয়া-ভারতের 'বন্ধুত্বের' সম্পর্ক কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না আমেরিকা। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের উপরেই তোপ দাগলেন আমেরিকার বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড উলফ! ঠিক কী বলেছেন তিনি।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি এক রুশ সংবাদমাধ্যমে রিচার্ড উলফ দাবি করেছেন, 'খুব ভয়ঙ্কর খেলা শুরু করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আদতে রাষ্ট্রসংঘের নিরিখের দিক থেকে বিচার করলে দেখা যাবে, ভারত বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ। কিন্তু কোনটা ঠিক কোনটা ভুল সেটা আমেরিকা শেখাতে চাইছে ভারতকে। একদিক থেকে দেখতে গেলে আমেরিকা ইঁদুর, আর ইঁদুরের মতই আচরণ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হাতিকে আক্রমণ করতে চাইছে। আদৌ সেটা সম্ভব না!'
জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করেন, 'শুধু যে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা ভারতের অপরাধ এমনটা নয়। পাশাপাশি ভারত যেভাবে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়টি আলগা ভাবে দেখছে তার শাস্তি হিসেবেও এমন শুল্ক চাপানো হয়েছে।' ট্রাম্পের ট্রেজারি সচিবের এহেন মন্তব্য নিয়ে শোরগোল বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে।
পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের বাণিজ্য পরামর্শদাতা পিটার নাভারো ভারতের উপর তোপ দেগে দাবি করেছেন, 'আদতে দেখতে গেলে মস্কোর থেকেই যে তেল কিনছে নয়াদিল্লি তা তাঁদের কোনও দরকারই নেই। রুশ তেলের আপাতত কোনও প্রয়োজন নেই ভারতের। শুধু মাত্র ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রাশিয়াকে শক্তি জোগাচ্ছে ভারত। সেই কারণেই তারা রুশ তেল কিনছে। তেল বিক্রি করে যে মোটা অর্থ পাচ্ছে, সেই টাকা থেকে রাশিয়া আদতে অস্ত্র বানাচ্ছে। যা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কাজে লাগাচ্ছে মস্কো। একপ্রকার দেখতে গেলে ভারতই হচ্ছে আসল শুল্ক চাপানোর মহারাজা। ওরাই বেশি শুল্ক চাপায়। যার কারণে মার্কিন বাণিজ্যও অনেকসময় ধাক্কা খায়।'