ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলার মূলচক্রী মাসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়ালো পাকিস্তান। সূত্রের খবর, ২০ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে তা ৭০ লক্ষ ধার্য করেছে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। যদিও এর নেপথ্যে পাক সরকার...
ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলার মূলচক্রী মাসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়ালো পাকিস্তান। সূত্রের খবর, ২০ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে তা ৭০ লক্ষ ধার্য করেছে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। যদিও এর নেপথ্যে পাক সরকারের অন্য মতলব আছে বলে মনে করছে অনেকে। অন্যদিকে, সামনেই ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। ঘটনাচক্রে তার আগেই মাসুদকে 'রেড বুক'-এর অন্তর্ভুক্ত করল ইসলামাবাদ।
অন্যদিকে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স-এর নজরদারি থেকে বাঁচতেই এই নয়া কৌশল এঁটেছে পাকিস্তান। যার নেপথ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনা সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরেরা। মনে করা হচ্ছে সেই কৌশলের অঙ্গ হিসেবেই কিছু দিন আগে মাসুদকে খুঁজে বার করে গ্রেফতার করার অনুরোধ জানিয়ে আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল ইসলামাবাদ। কিন্তু পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে কাবুলের তরফে জানান হয়, মাসুদ নেই সেখানে। এই পরিস্থিতিতে আচমকা মাসুদের মাথার দাম ধার্য করা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
২০১৮ সালের জুন মাসে সন্ত্রাসের উদ্দেশ্যে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থসাহায্য প্রতিরোধের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় পাকিস্তানকে ধূসর তালিকায় রেখেছিল এফএটিএফ। যার অর্থ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার, বিশ্বব্যাঙ্ক, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাঙ্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থসাহায্য বন্ধ হয়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া। পরে ২০২২ সালে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থ জোগান কমানোর একাধিক তথ্যপ্রমাণ পেশ করে ধূসর তালিকা থেকে নিস্তার পেয়েছিল পাকিস্তান। ফলে এই পরিস্থিতি এফএটিএফ বৈঠকের আগে মাসুদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতা যথেষ্ট সন্দেহজনক বলেই মনে করছে অনেকে।