অনেক হয়েছে বিপ্লব বিপ্লব খেলা! এবার বেয়াদব ছাত্র নেতাদের ব্যবহারে অতীষ্ট বাংলাদেশের সেনা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন চায় বাংলাদেশে। কিন্তু তার আগে কি নিজেদের হাতে ক্ষমতা নিতে চায় সেনা? বাংলাদেশে কি ফ...
অনেক হয়েছে বিপ্লব বিপ্লব খেলা! এবার বেয়াদব ছাত্র নেতাদের ব্যবহারে অতীষ্ট বাংলাদেশের সেনা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন চায় বাংলাদেশে। কিন্তু তার আগে কি নিজেদের হাতে ক্ষমতা নিতে চায় সেনা? বাংলাদেশে কি ফের ক্ষমতা বদলের ইঙ্গিত? প্রশ্নটা উঠছে কারণ সোমবার সকাল থেকেই ঢাকার রাজপথে দেখা মিলেছে সামরিক ট্যাঙ্কের।
সেনার বিরুদ্ধে ছাত্রনেতারা ‘আওয়ামী লীগের দালালি করা’র অভিযোগ তোলায় বিরক্ত সেনাকর্তারা। রবিবার দুপুরে এই নিয়ে সেনাকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ় জ়ামান। ওয়াকার-উজ জামানের ডাকা ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রায় সব জিওসি। ছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানও। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে অনেক সেনাকর্তাই ছাত্রনেতাদের ‘মাস্তানি’-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচন করিয়ে একটি স্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠায় উদ্দ্যোগী হতে সেনাপ্রধানকে পরামর্শ দেন।
ফেসবুকে ছাত্রনেতা হাসনাত আবদুল্লার বাংলাদেশ সেনার বিরুদ্ধে ‘আওয়ামী লীগের দালালি করা’র অভিযোগ সেনা যে ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত তা স্পষ্ট হয়েছে তাদের বিবৃতিতেই। রবিবার রাতে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে সেনা জানিয়েছে ফেসবুকে ছাত্রনেতা হাসনাত আবদুল্লার বিবৃতিটি ‘হাস্যকর ও অপরিপক্ব’। সেনার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান ছাত্রনেতাদের ডেকে পাঠাননি, তাঁরাই দেখা করতে এসেছিলেন। কেউ ছাত্রদের কোনও কিছু চাপিয়ে দেয়নি বা মানতে বাধ্য করার জন্য ধমকও দেয়নি। সেনাপ্রধান যা বলেছেন, তা নিছক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতামত।
সেনার এই ক্ষোভের মাত্রা আঁচ করেই পরে আর এক ছাত্রনেতা সার্জিস আলম রবিবার ফেসবুকে পোস্ট করে জানান, হাসনাতের সঙ্গে তিনিও সেনাপ্রধানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। কিন্তু তিনি হাসনাতের সঙ্গে একমত নন। জেনারেল ওয়াকার কোনও কিছু মেনে নেওয়ার জন্য আদৌ তাঁদের চাপ দেননি। অনেকে মনে করছেন, সার্জিসের এই মন্তব্যে আসলে সেনাবাহিনীকে শান্তির বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি বলেই সূত্রের খবর। কারণ সোমবার সকাল থেকেই ঢাকা সহ বাংলাদেশের বেশ কিছু গুরুত্ব পূর্ণ শহরের রাস্তায় দেখা গেছে সেনা ট্যাঙ্ক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সাজোয়া গাড়ি নিয়ে পাহারা দিচ্ছে সেনা। আর এতেই পদ্মা পাড়ে জল্পনা বাড়ছে। তবে কি ফের ক্ষমতা দখল? মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে কি বাংলাদেশে জারি হতে চলেছে সেনা শাসন।