আর কত? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক শুল্কবাণের পর ঠিক এমনই প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিতর্ক-সমালোচনা পিছু ছাড়ে না মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। পাশাপাশি তাঁর নতুন সিদ্ধান্তের জেরে দে...
আর কত? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক শুল্কবাণের পর ঠিক এমনই প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিতর্ক-সমালোচনা পিছু ছাড়ে না মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। পাশাপাশি তাঁর নতুন সিদ্ধান্তের জেরে দেশে এমনকি প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একটা দূরত্ব হয়েছে। বিভিন্ন দেশের উপর ইতিমধ্যেই শুল্ক আরোপ কথা বলেছেন ট্রাম্প। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল মেক্সিকো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের। সূত্রের খবর, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী, 'আগামী ১ অগাস্ট থেকে এই এই সমস্ত দেশগুলির উপর ৩০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর কথা ভাবা হয়েছে।'
মার্কিন বাণিজ্য দফতরের পক্ষ থেকে আগেই জানান হয়েছে, 'চলতি বছরেই ১ অগাস্ট থেকে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই বিষয়ের কথা মাথায় রেখেই আরও বহু দেশকে শুল্ক সংক্রান্ত চিঠি পাঠান হয়েছে। ইতিমধ্যেই ইরাক, আলজিরিয়া ও লিবিয়ার আমদানি করা পণ্যে ৩০ শতাংশ, ফিলিপিন্স-এর উপর ২০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সম্ভাবনা রয়েছে।' এই আবহে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেক্সিকোতেও ট্রাম্পের শুল্ক কোপ পড়তে চলেছে বলেই জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্ৰতি ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, 'ব্রিকস বরাবরই আমেরিকা বিরোধী। বর্তমানে ব্রিকসের সঙ্গে যে যে দেশ জড়িয়ে আছে আদতে সেই সমস্ত দেশের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যা প্রায় ১০ শতাংশ। এটা হবে যা কোনওভাবেই কোনও দেশকে ছাড় দেওয়া হবে না।' পাল্টা চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়, 'আমেরিকার দিনদিন এইভাবে শুল্ক চাপানোর যে পদক্ষেপ তা আদতে কোনও দেশের জন্যই ভালো না। যার তীব্র প্রতিবাদ করে এসেছে চিন এবং আগামী দিনেও তাই করবে। এইভাবে শুল্ক চাপানোর নাম করে রীতিমত জোরজুলুম করছে আমেরিকা। যেটা ঠিক না।' দেশগুলিরও