অগ্নিগর্ভ ইরান। একদিকে খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ। অন্যদিকে এমন রণক্ষেত্রের পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের দমাতে তৎপর ইরান সরকার। দিনদিন সেদেশে বেড়েই চলেছে আহত-নিহতের সংখ্যা। এমনকি বাড়ছে গ্রেফতারির সংখ্যাও। স...
অগ্নিগর্ভ ইরান। একদিকে খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ। অন্যদিকে এমন রণক্ষেত্রের পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের দমাতে তৎপর ইরান সরকার। দিনদিন সেদেশে বেড়েই চলেছে আহত-নিহতের সংখ্যা। এমনকি বাড়ছে গ্রেফতারির সংখ্যাও। সব মিলিয়ে গণবিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে তেহরান সহ গোটা ইরান। সূত্রের খবর, এমন পরিস্থিতিতে প্রায় পাঁচ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করল ইরান। ঠিক কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত ইরান সরকারের? এমন প্রশ্ন উঠলেও গোটা বিষয়টি এখনও ধোঁয়াশার মধ্যেই। তেহরানের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানান হয়নি।
সরকার বিরোধী আন্দোলন। বিগত কিছ সপ্তাহ ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি। বারংবার মার্কিন হামলার সম্ভাবনার কথা শোনা গিয়েছে ইরানে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা, 'বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খামেনেই সরকার। তবে এই বিষয়ে এখনও অবধি ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানান হয়নি। তাই গোটা খবরটিই বর্তমানে ধোঁয়াশার মধ্যে।
সম্প্রতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! তাহলে কি ভেনেজুয়েলার মতই ইরানেও হামলা চালাবে আমেরিকা? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলে ঠিক এই প্রশ্নই উঠছে। জানা গিয়েছে, এমন দমন-পীড়নের পরিস্থিতিতে ইরানে মৃতের সংখ্যা ২০০০-এর বেশি বলেই দাবি বিক্ষোভকারীদের। এমনকি আহতও বহু।
উল্লেখ্য, বিক্ষোভকারীদের মুখে একটাই স্লোগান, 'স্বৈরাচারী শাসনের পতন চাই।' ইরানের ইন্টারনেট পরিষেবা আগেই বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খামেনেই প্রশাসন। ইরানের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে আমজনতা, সবার মুখে একটাই স্লোগান, 'স্বৈরাচারী শাসনের পতন চাই।' যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনদিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ইরান।
ইতিমধ্যেই বিক্ষোভ দমনের জন্য ফাঁসির সাজা কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান সরকার। অর্থাৎ এবার থেকে ইরানের বিক্ষোভে কেউ শামিল হলেই তাঁকে দেওয়া হবে ফাঁসির সাজা অর্থাৎ একেবারে মৃত্যুদণ্ড। এমনই খবর সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে ইরান জুড়ে।