আজ মহাসপ্তমী। এখনও জারি রয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ। ধীরে ধীরে অবনতি হচ্ছে অনশনকারীদের শারীরিক অবস্থা। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতোর শারীরিক অবস্থা বিপজ্জনক। জুনিয়র চিকিৎসকের লিভ...
আজ মহাসপ্তমী। এখনও জারি রয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ। ধীরে ধীরে অবনতি হচ্ছে অনশনকারীদের শারীরিক অবস্থা। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতোর শারীরিক অবস্থা বিপজ্জনক। জুনিয়র চিকিৎসকের লিভার এবং কিডনিতে ধীরে ধীরে অনশনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তাঁকে পরীক্ষা করে এমনটাই জানালেন আরজি করেরই চিকিৎসক সৈকত নিয়োগী। কিন্তু এখনও নিজেদের দাবিতে অনড় রয়েছেন অনিকেত-সহ বাকি অনশনকারীরা।
জানা গিয়েছে, ধরনা মঞ্চের কাছে তৈরি রয়েছে দুটি অ্যাম্বুল্যান্স। অনিকেত-সহ অন্যান্য আন্দোলনকারীদের জন্য আর জি কর মেডিক্যালের আইসিইউতেও বিশেষ ব্যবস্থাপনা করে রাখা হয়েছে। এদিকে, হেয়ার স্ট্রিট থানার তরফে চিঠি পাঠিয়ে সাত অনশনকারীকে অনশন প্রত্যাহার করার আর্জি জানানো হয়েছে। একদিকে পুলিসের তরফে বলে হয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের এই অনশন আন্দোলন যেন তাঁরা প্রত্যাহার করেন।
অন্যদিকে আবার বলা হয়েছে, যদি এই অনশনে কারোর শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটে, যদি কারোর অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে কলকাতা পুলিস সহযোগিতা করবে। যা নিয়ে আবারও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যে। তবে অ্যাম্বুলেন্স পাঠালে অস্বীকার করা হচ্ছে। এই নিয়ে এই সাতজন অনশনকারীদের নামে জিডিও করা হয়েছে।
পুলিসের তরফ থেকে জুনিয়র ডাক্তার দেবাশীষ হালদার এর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলে খবর। পুলিসের তরফে বলা হয় আপনাদের কি কি জিনিস লাগবে, সেই সময় দেবাশীষ হালদার জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধি জানান, বায়ো টয়লেট এর ব্যাবস্থা করতে হবে। ডেকরেটর যে জিনিস গুলি নিয়ে যে কেস দেওয়া হয়েছে। সেটা তুলে নিতে হবে।
পাশাপাশি, মুখ্যসচিব মনোজ পান্থকে ফের জুনিয়র চিকিৎসকদের চিঠি। ইমেইল করে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দেওয়া চিঠিতে কাদম্বিনী ন্যায় বিচারের দাবি উল্লেখ করা হয় বলে খবর। আরজি করের চিকিৎসক সহ জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরসদের পক্ষ থেকে সাধার্থক ভূমিকা পালন করার আর্জি জানিয়েছেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যভবনের পর নবান্ন বৈঠকের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।