বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ। চেতলার সিআইটি হাউসিং-এর ঘটনা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত যুবকের নাম রূপচাঁদ পাইক। তাঁকে বৃহস্পতিবার সকালে ওই আবাসনের বন্ধঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার কর...
বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ। চেতলার সিআইটি হাউসিং-এর ঘটনা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত যুবকের নাম রূপচাঁদ পাইক। তাঁকে বৃহস্পতিবার সকালে ওই আবাসনের বন্ধঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রতিবেশিরা। এরপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই আবাসনের বাসিন্দা চন্দন মণ্ডল-কে গ্রেফতার করেছে চেতলা থানার পুলিস। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়।
পুলিস সূত্রে খবর, বুধবার রাতে রূপচাঁদ নিজের ঘরে চন্দনের সঙ্গে মদ্যপান করছিলেন। সেই সময় তাঁজের মধ্যে বচসা বাধে। এরপর চন্দন মণ্ডল ধারালো আস্ত্র দিয়ে বেশ কয়েকবার রূপচাঁদকে কুপিয়ে খুন বলে অভিযোগ। কিন্তু ঠিক কী কারণে খুন করা হল? সে বিষয়ে পুলিস জানিয়েছে, এই দুজনের মধ্যে আগে থেকেই একটা সমস্যা ছিল। জানা গিয়েছে, রূপচাঁদ পাইক এক সময় চন্দন মণ্ডলের স্ত্রীকে কটূক্তি করেছিলেন। এই নিয়ে তাদের মধ্যে আগেও ঝামেলা হয়েছিল। সে কারণেই প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, পুরনো শত্রুতার জেরেই রূপচাঁদকে কুপিয়ে খুন করে চন্দন। মৃত যুবকের দেহে একাধিক ক্ষতের দাগ মিলেছে বলে দাবি পুলিসের। তাঁর মুখ এতটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছে, সহজে চেনা যায়নি বলে জানান আবাসনের প্রতিবেশিরা।
উল্লেখ্য, ওই হাউসিং কমপ্লেক্সের আবাসিকরা চন্দন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার ত্রাস হল চন্দন মণ্ডল। একটি চায়ের দোকানের মালিক হয়ে এলাকায় মানুষের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করত বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছে চেতলা থানার পুলিস আধিকারীকরা।