আরজি কর হত্যাকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে দু'মাসেরও বেশি সময়। ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। সূত্রের খবর, শুক্রবার ধৃত সঞ্জয় রয়, সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডলের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ। তাদের শিয়লদহ আদালতে তু...
আরজি কর হত্যাকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে দু'মাসেরও বেশি সময়। ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। সূত্রের খবর, শুক্রবার ধৃত সঞ্জয় রয়, সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডলের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ। তাদের শিয়লদহ আদালতে তুলে ফের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবেন সিবিআই। সেই সঙ্গে এতদিনের তদন্তের সমস্ত রিপোর্টও জমা দেবে তদন্তকারীরা।
আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার সূত্র ধরেই সামনে এসেছে হাসপাতালের দুর্নীতি। আদালতের নির্দেশে সেই ঘটনারও তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। উঠে আসছে একের পর এক বেনিয়মের অভিযোগ। হাসপাতালের বিপুল দুর্নীতিতে সন্দীপ ঘোষের নাম একাধিকবার উঠে এসেছে। শুধু তাই নয় সন্দীপ ঘোষের ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, মোবাইল, মেমরি কার্ড-সহ অন্তত ১৮টি ডিজিটাল ডিভাইসের ‘ক্লোনিং’ করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখেছে সিবিআই। ওই যন্ত্রগুলিতে থাকা নথি থেকে তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আজ আদালতে পেশ করবে বলে সূত্রের খবর।
সেই সঙ্গে টালা থানার ওসি অভিজিত মণ্ডলের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করবে সিবিআই। পাশাপাশি আদালতে তোলা হবে আরজি কর কাণ্ডের অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে। যদিও এর আগেই সিবিআই চার্জশিট দিয়ে আদালতে জানিয়েছে আরজি করে তরুণী ডাক্তারকে ধর্ষণ খুনের মূল দোষী হিসেবে সঞ্জয়ের নাম উল্লেখ করেছে। এখন দেখআর বিষয় আরজি কর হত্যা মামালা ও হাসপাতালের দুর্নীতি মামলায় আদালত কী নির্দেশ দেয়।