আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার IPAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির তদন্তে এবার আবাসনের বাসিন্দাদের তলব করল পুলিস। ইতিমধ্যে, পু...
আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার IPAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির তদন্তে এবার আবাসনের বাসিন্দাদের তলব করল পুলিস। ইতিমধ্যে, পুলিসের তরফে প্রতীকের আবাসনের বাসিন্দা ছাড়াও প্রতিবেশীদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি যাওয়ার পর আবাসনের বাসিন্দারা কি শুনেছিলেন? তল্লাশিতে আসার পর থেকে অফিসারদের গতিবিধি কী ছিল? এই সমস্ত বিষয় জানতে চেয়ে তলব করা হয়েছে বলে খবর। প্রতিবেশীদের থেকেও ঘটনার বিবরণ শুনতে চায় পুলিস।
গত ৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে কলকাতার দুজায়গায় অভিযান চালায় ইডি আধিকারিকরা। হানা দেয় তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দফতরে এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। এরপরেই খবর পেয়ে প্রতীকের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে পৌঁছয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির অভিযান চলাকালীন একাধিক তথ্য-সহ একটি সবুজ ফাইল বের করে আনেন তিনি।
এরপরেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী রওনা হন আইপ্যাকের দফতরের দিকে। সেখানেও তাঁর গাড়িতে তোলা হয় একগুচ্ছ নথি। তারপরেই তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চের দৃষ্টি আর্কষণ করা হয়েছিল। আদালতে মামলা দায়েরের অনুমতিও দেওয়া হয়। পাল্টা, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে পুলিসের দ্বারস্থ হন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বিধাননগর ইলেকট্রনিক থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই শুরু হয় অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের পালা। এরই মধ্যে প্রতীক জৈন-এর পড়শিদের তলব করল পুলিস।