শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। ৬ দিনের ইডি হেফাজত শেষ করে জেল হেফাজতে এই মুহূর্তে জীবনকৃষ্ণ সাহা। সূত্রের খবর, একাধিক তথ্য ঘেটে ও অ্যাকাউন্ট ডিটেলস খতিয়ে দেখে ইডির...
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। ৬ দিনের ইডি হেফাজত শেষ করে জেল হেফাজতে এই মুহূর্তে জীবনকৃষ্ণ সাহা। সূত্রের খবর, একাধিক তথ্য ঘেটে ও অ্যাকাউন্ট ডিটেলস খতিয়ে দেখে ইডির তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে জীবনকৃষ্ণ ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থীর থেকে টাকা নিয়ে ছিলেন চাকরি দেওয়ার নামে।
জানা গিয়েছে, নগদে ও অ্যাকাউন্ট-এ লেনদেন করা হয় চাকরি বিক্রির টাকা। জীবনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রসন্নকুমার রায়ের হাত ধরে এসপি সিনহার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল জীবন। নিয়োগের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০১৮ সালে বেশ কয়েকজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ইডির। জীবনকৃষ্ণ সেই সময় এসপি সিনহার হাত ধরে চাকরিপ্রাথীদের টাকার বিনিময়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয় বলে সূত্রের খবর।
শনিবার কলকাতার বিচার ভবনে ইডির বিশেষ আদালতের এজলাসে উপস্থিত হন নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। এজলাসে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী টগরি সাহা এবং পুত্র। আদালতে তাঁর আইনজীবী দাবি করলেন, আগে যখন সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন, তখন তদন্তকারীদের সাহায্য করেছিলেন তিনি। যদিও আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলেই থাকবেন তিনি।
গত ২৫ অগাস্ট এসএসসি দুর্নীতি মামলায় মুর্শিদাবাদের গ্রামের বাড়ি থেকে জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর ইডির হেফাজতের মেয়াদ শনিবার শেষ হয়েছে। সে কারণে বিচার ভবনে ইডির বিশেষ আদালতে হাজির করানো হয়েছিল তাঁকে।