এবার সামনে এল জয়ন্তর শাগরেদ রঞ্জিতের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগ। আর অভিযোগ তুলল দে দম্পতি। জোর জুলুম করে ফ্ল্যাট থেকে ওই দম্পতিকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত রঞ্জ...
এবার সামনে এল জয়ন্তর শাগরেদ রঞ্জিতের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগ। আর অভিযোগ তুলল দে দম্পতি। জোর জুলুম করে ফ্ল্যাট থেকে ওই দম্পতিকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত রঞ্জিতের ভয়ে তাঁরা কাউকে কিছু না জানিয়ে চুপ করে ছিল। একদিকে ফ্ল্যাট লোন শোধে ব্য়াঙ্কের চাপ আর অন্য়দিকে রঞ্জিতের দাপটে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছিল দে দম্পতি।
দম্পতির দাবি, ২০০৬ সালে আড়িয়াদহে নিমতলার স্পোর্টিং ক্লাবের বিপরীতে তাঁরা একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। দু'তিন বছর সেখানে থাকার পর পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে সোদপুরে নিজেদের বাড়িতে চলে আসেন তাঁরা। এরপর ২০১১ সালে যখন ফ্ল্যাটে ফিরে আসেন তখন দেখেন ফ্ল্যাটর তালা ভেঙে দখল করে রয়েছে ওই রঞ্জিত। তা দেখে হতবাক হয়ে যান।
অভিযোগ, রঞ্জিত তাঁদেরকে ধাক্কা দেয় এবং গালিগালাজ করে ফ্ল্যাট থেকে বের করে দেয়। রঞ্জিতের ভয়ে এতদিন মুখ বুজে ছিলেন এই দম্পতি। অপরদিকে ব্যাঙ্কে লোন শোধ করার চাপ দিতে থাকে। কিন্তু যে বাড়িতে তিনি থাকতেই পাচ্ছেন না সে বাড়ির লোন শোধ করবেন কী করে? তারপর কেটে গিয়েছে ১২ বছর। এই ১২ বছরে বারংবার ব্যাঙ্ক থেকে লোন পরিশোধের চাপ আসতে থাকে তাঁদের কাছে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এই দম্পতি। অবশেষে সংবাদ মাধ্যমের জয়ন্ত সিং-এর খবর দেখে সাহস করে ব্যাঙ্কে পুরো বিষয়টি জানান। এরপর ব্যাঙ্ক মারফত দক্ষিণেশ্বর থানায় একটি ডায়েরি করেন গত ২৫ তারিখ, বৃহস্পতিবার।
পাশাপাশি, প্রকাশ্য়ে আসে জয়ন্তের দখল করা পুকুরের আসল মালিকের নাম। জানা গিয়েছে, বিশ্বাস পরিবারের পাঁচ ভাইয়ের নামে রয়েছে ওই পুকুর। অভিযোগ, ওই পুকুরের কিছুটা অংশ রাতের অন্ধকারে বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। জয়ন্তকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। বিশ্বাস পরিবারের পুকুরে যাওয়ার সোজা রাস্তায় তৈরি হয়েছে জয়ন্তের অট্টালিকার বিশাল গেট। জয়ন্তের ভয়ে আর মুখ খোলেননি বিশ্বাস পরিবার। তবে কামারহাটি পুরসভায় মৌখিকভাবে জানিও কোন কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। এই প্রসঙ্গে বিশ্বাস পরিবার বলেন, এর আগেও তাঁদের পুকুরের কিছু অংশ দখল করেছিলেন পারার কয়েকজন ছেলে। সেই সময় পুরসভা, মৎস্য দফতর, বিএলআরও অফিস এবং থানায় জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই জয়ন্ত প্রসঙ্গে তাঁরা কোথাও লিখিত আকারে আর কোনও অভিযোগ জমা করেননি।