অবস্থানের বাইশ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে। রাতের বৃষ্টি, দিনের চড়া রোদ কিছুই দমাতে পারেনি আন্দোলনকারী ডাক্তারদের অবস্থান। আরজি করের ঘটনার প্রথমদিন থেকে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার...
অবস্থানের বাইশ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে। রাতের বৃষ্টি, দিনের চড়া রোদ কিছুই দমাতে পারেনি আন্দোলনকারী ডাক্তারদের অবস্থান। আরজি করের ঘটনার প্রথমদিন থেকে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার রাত থেকেই আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাধারণ মানুষও। কেউ পৌঁছে দিয়েছেন শুকনো খাবার, জল। আন্দোলনের শুরু থেকেই নাগরীক সমাজ পাশে দাঁড়িয়েছে নাগরীক সমাজ। তাঁরাও আওয়াজ তুলে বলছেন দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
আরজি কর গত একমাস ধরে যে নামটি উত্তাল করে দিয়েছে গোটা রাজ্য। বাংলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যে দুর্নীতির আঁতুড়ঘরস, তার ছবি উঠে এসেছে তদন্তের পরতে পরতে। বিচার চেয়ে লাগাতার আন্দোলন-অবস্থান-বিক্ষোভে অনড় ডাক্তাররা। তাঁদের সমর্থনে পথে নেমেছে নাগরীক সমাজও। মঙ্গলবার দুপুর থেকে ছ’দফা দাবিতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানে জুনিয়র ডাক্তারেরা। রাতে তাঁদের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। বুধবার সকালে আন্দোলনকারীদের খাবার পৌঁছে দিলেন বহু সাধারণ মানুষ। যার যেমন সাধ্য, শুকনো খাবার, ফল, জলের বোতল দিয়ে যাচ্ছেন জনগণ। এই মহাযোগ্যে খাবার পৌঁছে পাশে থাকছেন নানান সংস্থার খাবার সরবরাহকারী মানুষও। এ যেন এক অন্যরকম দৃশ্য। এত সমর্থন, সাহায্য সাহস যোগাচ্ছে ডাক্তারদের।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে ইমেল পাঠিয়ে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নবান্নে আলোচনায় বসতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ইমেলের ভাষা নিয়ে আপত্তি ছিল আন্দোলনকারীদের। রাত পেরিয়ে সকাল হলেও এখনও জট কাটেনি। তবে আন্দোলনকারীরা জানালেন, তাঁরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।