আরজি করে চিকিৎসকের মৃত্যুতে কারা আত্মহত্যার কথা রটিয়েছিল, কেন ৩দিন পরে ঘটনাস্থলে স্নিফার ডগ? কেন দেওয়াল ভাঙা হল? সেমিনার রুমের উল্টোদিকের ঘর ভাঙা নিয়েও প্রশ্ন। এরকম শতাধিক প্রশ্ন আছে, ২জনকে হেফাজতে নি...
আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর থেকেই তোলপাড় রাজ্য। একাধিক অভিযোগ রয়েছে আরজি করের সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এই মামলা সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ার পরেই সন্দীপ ঘোষকে তলব করা হয়। টানা জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে। এই আবহেই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। সিবিআইয়ের কাছে সন্দীপ ঘোষ ও কলকাতা পুলিস কমিশনার বিনীত গোয়েল-এর গ্রেফতারি চেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। \'সিপি, প্রাক্তন অধ্যক্ষকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করুক সিবিআই। এমনটাই দাবি তাঁর।
আরজি করে চিকিৎসকের মৃত্যুতে কারা আত্মহত্যার কথা রটিয়েছিল, কেন ৩দিন পরে ঘটনাস্থলে স্নিফার ডগ? কেন দেওয়াল ভাঙা হল? সেমিনার রুমের উল্টোদিকের ঘর ভাঙা নিয়েও প্রশ্ন। এরকম শতাধিক প্রশ্ন আছে, ২জনকে হেফাজতে নিক সিবিআই। আরজি কর কাণ্ডে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট তৃণমূল সাংসদের। কাদের প্রশ্রয়ে এত প্রভাবশালী? জানতে চান সুখেন্দুশেখর রায়। সিবিআইয়ের কাছে স্বচ্ছ্বতার সঙ্গে তদন্তের আবেদন সুখেন্দুশেখর রায়ের।
বস্তুত, শাসকদলের একজন সাংসদ এভাবে সরাসরি কলকাতার পুলিস কমিশনারের গ্রেফতারি চাইছেন, সেটা শাসকদলের জন্য কিছুটা হলেও অস্বস্তিকর। যদিও সুখেন্দুশেখরের এই দাবির বিরোধিতা করেছেন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষ। সুখেন্দুশেখরের পোস্টটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ তকমা দিয়ে কুণাল বলেন, “আর জি কর কাণ্ডের বিচার আমিও চাই। কিন্তু পুলিস কমিশনারের গ্রেফতারি দাবির প্রবল বিরোধিতা করছি। তিনি খবর পাওয়ার পর সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। কমিশনার নিজের কাজ করছিলেন। তদন্তও সঠিক পথেই এগোচ্ছিল। আমার সিনিয়র সহকর্মীর এই পোস্ট দুর্ভাগ্যজনক।”