আরজি কর কাণ্ডে উঠে এসেছে প্রথমদিনের ফোন কলের অডিও ক্লিপ। সেদিন নিহত নির্যাতিতার বাড়িতে ফোন করে হাসপাতালে ডাকা হয়েছিল তাঁর বাবা-মাকে। সেই ফোনে অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার পরিচয়ে এক মহিলার গলায় শোনা যায়, 'ওর...
আরজি কর কাণ্ডে উঠে এসেছে প্রথমদিনের ফোন কলের অডিও ক্লিপ। সেদিন নিহত নির্যাতিতার বাড়িতে ফোন করে হাসপাতালে ডাকা হয়েছিল তাঁর বাবা-মাকে। সেই ফোনে অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার পরিচয়ে এক মহিলার গলায় শোনা যায়, 'ওর একটু শরীরটা খারাপ হয়েছে। আপনারা কি তাড়াতাড়ি হাসপাতালে আসতে পারবেন'। আবার ফোন করে বলা হয়, 'আপনাদের মেয়ে সুইসাইড করেছেন বা মারা গিয়েছেন'। যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি সিএন পোর্টাল।
গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে চিকিৎসক তরুণী মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে ফোন করা হয় নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে। আর সেই ফোনটি তুলেছিল নির্য়াতিতার বাবা। সেই ফোন কলের প্রথম ক্লিপে এক মহিলাকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ওর একটু শরীরটা খারাপ হয়েছে। আপনারা কি একটু আসতে পারবেন'? 'আমি ডাক্তার নই, 'আমি অ্যাসিসট্যান্ট সুপার '।
দ্বিতীয় ক্লিপে শোনা যায়, 'ওঁর অবস্থা খুবই খারাপ'। 'আপনার মেয়েকে এমার্জেন্সিতে বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। তারপর আবার শোনা যায়, ‘আপনাদের মেয়ে সুইসাইড করেছেন বা মারা গিয়েছেন।’ তাই আপনারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে চলে আসুন।’ তবে এই ফোন কলের সত্যতা যাচাই করেনি সিএন ডিজিটাল পোর্টাল। এই তিনটি অডিয়ো ক্লিপ একটি ফোনেরই অংশ নাকি আলাদা আলাদা ফোন কল তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ভাইরাল অডিয়ো নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
আরজি করে চিকিৎসক তরুণীর মৃত্যুর পর সামনে আসে নানান রহস্য। ঘটনায় ধর্ষণ-খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের গ্রেফতার করা হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়। সেইসঙ্গে টার্গেট করা হয়েছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপালকে। টানা ১৩ দিন ধরে তাঁকে সিজিওতে জিজ্ঞাসাবাদের তলব করা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, প্রথম থেকে তাঁর বয়ানে একাধিক জায়গায় অসঙ্গতি মিলেছে। এই মামলার ক্ষেত্রে অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে মনে করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। বেশ কিছু তথ্য জানতে বারংবার তলব করা হয় সন্দীপকে।