অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল। দৈনন্দিন দলীয় খরচ ও কর্মীদের বেতন চালানোর জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আপাতত কিছু টাকা তোলার অনুমতি মিলল না। তৃণমূলের এই অন...
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল। দৈনন্দিন দলীয় খরচ ও কর্মীদের বেতন চালানোর জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আপাতত কিছু টাকা তোলার অনুমতি মিলল না। তৃণমূলের এই অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর বক্তব্য জানতে চাইল শীর্ষ আদালত।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম এম সুন্দরেশের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশের মন্তব্য, বেআইনি আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অর্থ আসলে কী এবং আপনারা কী করতে চাইছেন? পরিমান ১৬০ কোটি টাকা। আবেদনকারী বলছে যে এটি এখন প্রশাসকের হাতে রয়েছে। পাল্টা ইডির তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজুর জবাব, এমন কিছু অ্যাকাউন্ট রয়েছে যা এখনও ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করা হয়নি। প্রত্যেকদিন টাকার লেনদেনও হচ্ছে।
বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ স্পষ্ট জানান, তাঁরা মূল মামলার মেরিট খতিয়ে দেখছেন না। অন্তর্বর্তী স্বস্তির যে আবেদন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আদালতের প্রস্তাব , দলের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনার জন্য প্রশাসকের হাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যবহারের সুযোগ রাখা হোক।
অন্যদিকে, ইডির পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু দাবি করেন, তৃণমূলের সব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়নি এবং প্রতিদিন লেনদেন চলছে। ইডির এই দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কপিল সিব্বল আদালতে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, “একটিমাত্র এই ধরনের লেনদেনের প্রমাণ দেখাক কেন্দ্রীয় সংস্থা!”
উভয়পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলকে এখনই কোনো অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেয়নি। বরং দলের আবেদনের বিষয়ে ইডির কাছে স্পষ্ট বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিশ জারি করেছে। আগামী সপ্তাহে মঙ্গলবার (১১ই আগস্ট) এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে মামলাটিতে আপাতত কালীঘাটের অস্বস্তি বহাল রইল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।