রবিবারের পর সোমবারই গ্রেফতার হল আরও এক অভিযুক্ত। বিধাননগরে প্রোমোটারকে মারধরের ঘটনায় পুলিসের হাতে ধৃত রমেন মণ্ডল নামে আরও এক যুবক। পুলিস সূত্রে পাওয়া খবর, এখনও অবধি এই ঘটনায় গ্রেফতার হল দুই অভিযুক্ত শ...
রবিবারের পর সোমবারই গ্রেফতার হল আরও এক অভিযুক্ত। বিধাননগরে প্রোমোটারকে মারধরের ঘটনায় পুলিসের হাতে ধৃত রমেন মণ্ডল নামে আরও এক যুবক। পুলিস সূত্রে পাওয়া খবর, এখনও অবধি এই ঘটনায় গ্রেফতার হল দুই অভিযুক্ত শুভেন্দু মণ্ডল ও রমেন মণ্ডল। জানা গিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহতি আইন অনুযায়ী দশ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, গ্রেফতার হয়েছে মাত্র দু'জন। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই পুলিসের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছে আক্রান্ত প্রোমোটার ও তাঁর বাড়ির লোকজন। সূত্রের খবর, সোমবার থেকে এলাকায় দেখা মিলছে না অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তীর। বাড়ি ও অফিস সব জায়গাতেই তালা বন্ধ সমরেশের এমনটাই জানিয়েছেন স্থানয়ীরা।
অভিযোগ রবিবার দিনে দুপুরে তোলাবাজির টাকা না দেওয়ায় প্রোমোটার কিশোর হালদারকে বেধড়ক মারধর করে সমরেশ চক্রবর্তীর অনুগামীরা। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কিশোরের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে ওই তৃণমূল কাউন্সিলরের ওপর। সমরেশ বর্তমানে বিধান নগর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। পুরো ঘটনাটি নিয়ে রাজ্যে পুলিস প্রশাসনকে ইতিমধ্যেই কাঠগোড়ায় তুলেছে আহত প্রোমোটার ও তাঁর বাড়ির সদস্যরা। প্রোমোটার ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবারই কাউন্সিলর সহ দশ জনের নামে এফআইআর দায়ের করেছে তাঁর পরিবার। ভারতীয় ন্যায় সংহতি আইনে, খুনের চেষ্টা সহ সাতটি ধারায় এফআইআর করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্ত্র আইনের পঁচিশ নম্বর ধারা অনুযায়ী এফআইআর করেছে বলে জানিয়েছে আক্রান্ত কিশোর।
অভিযোগ প্রায় একদিন পেরিয়ে যাবার পরও পুলিস কেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করছেনা ? পুলিসের বিরুদ্ধে এরকমই অভিযোগ তুলেছে আক্রান্ত প্রোমোটার। অপরদিকে পুলিস মহলের দাবি ঘটনার তদন্ত চলছে। সূত্রের খবর, বিধাননগর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু নগরে আভা নিকেতন নামে এক বহুতলের ফ্ল্যাটে থাকেন অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর। রবিবার থেকেই সেই ফ্ল্যাটে জানলা দরজা বন্ধ। ফ্ল্যাটে নেই তার পরিবারের সদস্যরাও।স্থানীয়রা জানিয়েছেন রবিবার থেকেই সমরেশকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।ওই বহুতলের অন্য এক ফ্ল্যাটের পরিচারিকা জানান, কাউন্সিলরের ফ্ল্যাট তালা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। কোথায় গেছে কাউন্সিলর সেই বিষয়ে কিছুই জানে না তাঁরা । বিষয়টি নিয়েই আক্রান্ত কিশোর ও তাঁর পরিবার বলছেন, তাহলে কোথায় গেলেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর ?। এলাকায় থাকলেও, পুলিশ এখনও তাঁকে খুঁজে পেল না কেন? তাহলে কি কাউন্সিলরকে কোনভাবে আড়াল করা হচ্ছে? উঠছে প্রশ্ন