২০ বছর পর পরিবর্তনের বাংলায় বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন তিনি। চোখে চশমা, পরনে লাল পাড়ের সাদা শাড়ি। কলকাতায় পা রেখে আবেগপ্রবণ লেখিকা। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানব...
২০ বছর পর পরিবর্তনের বাংলায় বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন তিনি। চোখে চশমা, পরনে লাল পাড়ের সাদা শাড়ি। কলকাতায় পা রেখে আবেগপ্রবণ লেখিকা। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন দমদম উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান তিনি।
কলকাতায় দুদিনের কর্মসূচি রয়েছে তসলিমা নাসরিনের। ১ অগাস্ট রবীন্দ্র সদনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এদিন তাঁকে স্বাগত জানাতে কলকাতা বিমানবন্দরে যান তাঁর পাঁচ বন্ধু। অনুষ্ঠানের আয়োজক মোহিত রায় বলেন, আমরা ২০ বছর ধরে প্রচেষ্টা চালিয়েছি। দুটো সরকার চলে গিয়েছে, শুধু সরকারকে দোষ দেবো না। বিদ্বজনেরাও তাঁকে ফেরানোর প্রচেষ্টা করেনি। মৌলবাদীদের কাছে মাথা নত করেছেন। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাই, তিনি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার বলেন, ভরসা ইন ভয় আউট। এর থেকে বড় উদাহরণ আর কি হতে পারে। ১৯ বছর পর তসলিমা নাসরিন ফিরলেন কলকাতায়। এই ভরসা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে দিয়েছেন বলে নির্ভয়ে এসেছেন। উনি যদি থাকতে চান, তাহলে সরকারকে বলবেন। এদিন তিনি তসলিমা নাসরিনের উদ্দেশ্যে বলেন, কলকাতা শহর আপনার, আপনি যখন খুশি আসবেন।
এ বিষয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি রাজ্যসভায় প্রশ্ন করেছিলাম কেন তসলিমা নাসরিন বাংলায় প্রবেশ করতে পারবেন না। যিনি বাংলায় লেখেন, বাংলায় কথা বলেন, বাংলায় স্বপ্ন দেখেন তিনি পশ্চিমবঙ্গে আসবেন। তাঁকে স্বাগত জানাই। এখানে যদি জয়া হাসেন থাকতে পারেন, তাহলে তসলিমা নাসরিন কেন থাকতে পারবেন না।
পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, যাঁরা বাংলা বাংলা করেন, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় ঢুকিয়েছেন, তাঁরাই তসলিমা নাসরিনকে বাংলায় জায়গা দেয়নি। সরকারের পালাবদল হয়েছে, উনি এসেছেন। তসলিমা নাসরিনকে স্বাগত জানিয়ে শহরের আনাচে কানাচেও পড়েছে পোস্টার। সরকারের পালাবদলে লেখিকাকে ফিরে পেয়ে খুশির হাওয়া বাংলায়।