প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভে মহা বিপত্তি। অতিরিক্ত ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জন পুণ্যার্থীর। এমনটাই জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের সরকার যোগী আদিত্যনাথ। মৃতের সংখ্যা গোপন করা হচ্ছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ ডায়মন্...
প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভে মহা বিপত্তি। অতিরিক্ত ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জন পুণ্যার্থীর। এমনটাই জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের সরকার যোগী আদিত্যনাথ। মৃতের সংখ্যা গোপন করা হচ্ছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার দিল্লি যাত্রার আগে দমদম বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে যোগী প্রশাসনকে বিঁধলেন তিনি।
এদিন কেন্দ্রকে দুষে অভিষেক বলেন, ‘এই একই দুর্ঘটনা যদি কোনও বিজেপি-বিরোধী রাজ্য হত, তবে এতক্ষণে তো রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার জন্য উঠে পড়ে লেগে পড়ত কেন্দ্র সরকার। কখনও বলছে ৩০ জন। তখনও বলছে ৪০ জন। মহাকুম্ভে কমপক্ষে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা গোপন করার চেষ্টা চলছে। বড় বড় উদ্যোগপতিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। আর গরিব মানুষের জন্য কোনও ব্যবস্থা নেই।
পাশাপাশি, উত্তরপ্রদেশকে বাংলার থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথাও বললেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘রাজ্য সরকার গত ১৪ বছর ধরে যেভাবে গঙ্গাসাগর মেলা আয়োজন করছে তার থেকে দিল্লি ও উত্তর প্রদেশ সরকারের শিক্ষা নেওয়া উচিত।’ অভিষেকের মতে, “মহাকুম্ভে এত মানুষ যখন যাবে, তখন যথাযথ ব্যবস্থাপনা দরকার ছিল। এখানে পরিকল্পনা কম। ব্যবস্থা নেই। শুধু প্রচার।”
প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোররাতে 'শাহি স্নান' ঘিরে প্রবল জনসমাগম দেখা গিয়েছিল মহাকুম্ভে। মঙ্গলবার মাঝরাত থেকেই ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নানের প্রস্তুতি শুরু হয়। একটা সময় অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে ব্যারিকেড ভেঙে বিপত্তি ঘটে। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় পুণ্যার্থীদের মধ্যে। মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে বেশ কয়েকজন পুণ্যার্থী মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হয়েছেন অনেকে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পদপিষ্ট হয়ে ৩০ জন মারা গিয়েছেন। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।