বন্ধুদের সঙ্গে সাঁতারের বাজি ধরাই কাল! সাঁতার কেটে ঝিল পেরোতে গিয়ে প্রাণ গেল এক যুবকের। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার বালিটিকুরী ইএসআই হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বড় ঝিলে। প্রায় তিন ঘন্টা ডুবুরি নামিয়ে খ...
বন্ধুদের সঙ্গে সাঁতারের বাজি ধরাই কাল! সাঁতার কেটে ঝিল পেরোতে গিয়ে প্রাণ গেল এক যুবকের। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার বালিটিকুরী ইএসআই হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বড় ঝিলে। প্রায় তিন ঘন্টা ডুবুরি নামিয়ে খোঁজাখুঁজির পর উদ্ধার হয় দেহ। তড়ঘড়ি হাসপাতালে পাঠানো হলেও চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে প্রচুর পুলিস এবং র্যাফ।
পুলিস সূত্রে খবর, মৃত যুবকের নাম মহম্মদ সুফিয়ান (২০)। বাড়ি হাওড়ার বাঁকড়া মণ্ডলপাড়া। স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করতেন। এদিন বেলায় বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়েছিল সুফিয়ান। বালিটিকুরী ইএসআই হাসপাতালের কাছে গভীর একটি ঝিল আছে। চার বন্ধু মিলে আগেও সেখানে সাঁতার কাটতে গিয়েছিল বলে খবর। এদিন ওই ঝিলের পাড়ে দাঁড়িয়েই সাঁতারের বাজি ধরা হয়েছিল। দুজনের মধ্যে বাজি হয়। সুফিয়ান সাঁতার জানলেও ঝিলের মাঝখানে হঠাৎ যেতেই হারিয়ে যায়। তখন অন্য এক বন্ধু সাঁতার কেটে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও বাঁচানো যায়নি।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিস, ডুবুরি, র্যাফ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। পরে বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিস দেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিস এ ব্যাপারে কয়েকজন বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, এটি দুর্ঘটনা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিতভাবে অভিযোগ জমা পড়েনি। পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।