চাঁচল ২ নং ব্লকের গৌড়হন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বছর ২২ এর যুবক আনজারুল হক।ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে হৃদরোগে মৃত্যু হয় চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুরের বাসিন্দা বছর ৪৫ এর মিন্টু সরকারেররাজমিস্...
রাজ্যে যে কাজের বড়ই অভাব। ভুখা পেট ও সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ভিন রাজ্যে পাড়ি। কিন্তু এই যাওয়াই যে শেষ যাওয়া কে জানত। ফের ৩ পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর মিলল মালদা থেকে। তাঁদের মধ্যে একজন চাঁচল ২ নং ব্লকের গৌড়হন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বছর ২২ এর যুবক আনজারুল হক। মাস দুয়েক আগে মুম্বাই পাড়ি দিয়েছিলেন আনজারুল। সেখানেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় যুবকের। দুমাসের একটি কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে না ফেরার দেশে পাড়ি আনজারুলের। এখন সংসারের চিন্তায় চোখের জল শুকিয়েছে আনজারুলের স্ত্রীর। শুধু আনজারুলের পরিবার নয়, এমন দুর্ভাগ্য মালদার আরও ২ পরিবারের।
ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে হৃদরোগে মৃত্যু হয় চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুরের বাসিন্দা বছর ৪৫ এর মিন্টু সরকারের। পাশাপাশি রাজমিস্ত্রির কাজ নিয়ে পঞ্জাবে পাড়ি দিয়েছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা বছর ৪৫ এর আজিদুল হক। সেখানে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় আজিদুলের। মেয়ের বিয়ের দিন সকালে বাড়িতে আসার কথা ছিল, কিন্তু ফিরল কফিনবন্দি দেহ। কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। অসহায় পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস মিলেছে ব্লক সভাপতির তরফে। ১০০ দিনের কাজ নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত চরমে। রাজনৈতিক দড়ি টানাটানিতে শাঁখের করাতের অবস্থা সাধারণ মানুষের। এই তিন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতেও রাজ্যের শাসকদলকে একহাত নিয়েছে বিজেপি। একটা মৃত্যু তুলে দেয় হাজার প্রশ্ন। এই মৃত্যুর দায় কার? কবে হবে রাজ্যে কর্ম সংস্থান? আর কত মৃত্যুর দেখবে বাংলা?