ওড়িশার পর আবারও মহারষ্ট্রে বাংলার শ্রমিকদের হেনস্থার অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজানীতি। নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা মণিশঙ্কর ও নয়ন গত ছয় মাস ধরে রয়েছেন পুলিস হেফাজতে। কাজের খোঁজে ভিনরাজ্যে গিয়ে বৈধ ...
ওড়িশার পর আবারও মহারষ্ট্রে বাংলার শ্রমিকদের হেনস্থার অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজানীতি। নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা মণিশঙ্কর ও নয়ন গত ছয় মাস ধরে রয়েছেন পুলিস হেফাজতে। কাজের খোঁজে ভিনরাজ্যে গিয়ে বৈধ নথি - পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও হয়রানি। বাড়ির রোজগেরে ২ ছেলেরই কাজের সন্ধানে মহারাষ্ট্রে গিয়ে বিপদে পড়ায় দিশেহারা পরিবার।দিন আনি দিন খাইয়ের সংসারের পাশে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকলেও ছেলেরা কবে বাড়ি ফিরবে? অপেক্ষা আর দুশ্চিন্তাতেই কাটছে দিন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ছেলেদের ঘরে ফেরানোর কাতর আর্জি অসুস্থ বৃদ্ধা মা সহ গোটা পবিরারের।
মতুয়া মহাসংঘের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের এই দুর্ভোগ? প্রতিবাদে সরব তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন পরিবারের অনুরোধ বার্তা। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীও।
বিজেপির দাবি, বাংলাদেশিরা শাসক দলের ভোট অস্ত্র। তবে ঠিক কী কারণে ২ শ্রমিককে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে, বললেন নদিয়া সাংগঠনিক জেলার বিজেপি মুখপাত্র ডঃ সোমনাথ করের ।
সম্প্রতি রাজ্যের বাইরে শ্রমিকদের হেনস্থা-অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার অস্মিতা রক্ষার অঙ্গীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই আবহে আবারও বাংলার ২ শ্রমিকের দুর্ভোগ মহারাষ্ট্রে। বাংলা বলেই বারবার কেন পড়তে হচ্ছে বিপদে? সমাধানের অপেক্ষায় বাংলার মানুষ।