চলছে টানা বৃষ্টি। তার মধ্যে এক লক্ষ কিউসেক জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দামোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেটর কমিটি। রাজ্যের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে জল ছাড়ায় আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে রাজ্য। রবিবার থেকেই ...
চলছে টানা বৃষ্টি। তার মধ্যে এক লক্ষ কিউসেক জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দামোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেটর কমিটি। রাজ্যের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে জল ছাড়ায় আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে রাজ্য। রবিবার থেকেই এই জল ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যার কারণে বেশ কয়েকটি এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে ডিভিসি।
জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মাইথন এবং পাঞ্চেত বাঁধের জলস্তর বেড়েছে। গত তিনদিনে জল ছাড়ার পরেও পাঞ্চেত বাঁধের জলস্তর ৪০৬ ফুট থেকে বেড়ে ৪১২ ফুট হয়েছে। এরপর নতুন করে জল ছাড়ছে দামোদর কর্পোরেশন ভ্যালি। সে কারণে বেশ কিছু এলাকা বন্যা কবলিত হওয়ার সম্ভাবণা রয়েছে। সূত্রের খবর, পাঞ্চেত বাঁধের প্রবাহ ৮৩২৮৪ একর ফুট এবং মাইথন বাঁধের জলপ্রবাহ ৭৮০০৭ একর ফুট। মাইথন এবং পাঞ্চেত বাঁধের জল এসে জমা হয়েছে দুর্গাপুর ব্যারেজে এসে। অতিরিক্ত জলপ্রবাহের কারণে প্লাবিত হতে পারে দুর্গাপুর, বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া জেলার একাধিক নদী তীরবর্তী এলাকা। তাই আগে থেকেই প্রশাসনের তরফ থেকে জল ছাড়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
ঝাড়খণ্ডের উপরে নিম্নচাপ অবস্থান করছে। তার প্রভাবে ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি চলছে। সেখানকার তেনুঘাট জলাধার থেকে শনিবার দেড় লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছিল। রবিবার সকালেও জল ছেড়েছে তেনুঘাট। এই জল পাঞ্চেত জলাধারে এসে পৌঁছেছে। সেই কারণেই রবিবার পাঞ্চেত থেকে বাড়তি জল ছাড়তে হয়েছে বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকেরা। এই বছর বর্ষা মৌসুমে প্রথমবার, দামোদর এবং বর্তমানে মাইথন উভয় থেকে জল ছাড়া হয়েছে। সে কারণে বাংলায় বানভাসি হওয়ার নিয়ে আশঙ্কা করছে রাজ্য।