অবশেষে নীরবতা ভঙ্গন। আরজি করে চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশ উত্তাল। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। ঠিক তখন নিরুত্তাপ থাকতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যো...
অবশেষে নীরবতা ভঙ্গন। আরজি করে চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশ উত্তাল। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। ঠিক তখন নিরুত্তাপ থাকতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণের মধ্যে ও কম আলোচনা হয়নি। ১৪ অগস্ট মধ্যরাতে আরজি কর হাসপাতালে হামলার পরে পুলিসি সক্রিয়তা চেয়ে সমাজমাধ্যমে বার্তা দেন অভিষেক। এরপর আজ, বৃহস্পতিবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন অভিষেক। তিনি রাজ্য সরকারের কাছে ধর্ষণ বিরোধী কঠোর আইন বলবৎ করার আর্জি জানান এবং এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথা বলতে বলেন। যে আইনে ধর্ষণের ঘটনার ৫০ দিনের মধ্যে অপরাধীকে চিহ্নিত করে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। তার পরে দোষীকে কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।
অভিষেক টুইটে লিখেছেন, ‘‘গত ১০ দিনে আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় যখন গোটা দেশ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে, সুবিচারের দাবি করছে, তখনও দেশ জুড়ে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ৯০০ জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রতিদিন ৯০টি ধর্ষণের ঘটনার রিপোর্ট লেখানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় চারটি এবং প্রতি ১৫ মিনিটে একটি ধর্ষণের ঘটনার রিপোর্ট দায়ের হয়েছে। অথচ এত কিছু সত্ত্বেও এই অপরাধের কোনও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বার করা গেল না। আমাদের এমন কড়া আইন আনতে হবে যাতে ৫০ দিনের মধ্যে গোটা বিচারপ্রক্রিয়া নিষ্পত্তি হয়। এবং দোষীরা শাস্তি পায়।’’