আরজি কর কাণ্ডে একদিকে যখন বিভিন্ন প্রতিবাদের ভাষায় লেখা পোষ্টার ও স্লোগানে ভরে উঠেছে বাংলা তথা দেশ-বিদেশের আনাচ-কানাচ। তখন এই আবহে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গেল উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। নির...
আরজি কর কাণ্ডে একদিকে যখন বিভিন্ন প্রতিবাদের ভাষায় লেখা পোষ্টার ও স্লোগানে ভরে উঠেছে বাংলা তথা দেশ-বিদেশের আনাচ-কানাচ। তখন এই আবহে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গেল উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পরীক্ষার খাতায় কোনওরকম রাজনৈতিক স্লোগান লেখা চলবে না! যদি কোনওরকম আপত্তিকর ও অশালীন শব্দ উত্তর পত্রে পাওয়া যায় তাহলে বাতিল করা হবে সেই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা! সেক্ষেত্রে, পরীক্ষার্থীর তরফে যদি যথোপযুক্ত উত্তর না মেলে তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে শিক্ষা সংসদ। সূত্রের খবর, প্রায় ২৫ দফা নিয়মবিধি নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে শিক্ষা সংসদের তরফে। এবং এ প্রসঙ্গে আরও তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন বঙ্গীয় শিক্ষা সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল।
তা ছাড়াও শিক্ষা সংসদের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও পরীক্ষার্থী খাতায় ভুল নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখলে, উত্তরপত্র নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র ছাড়লে ও অন্য পরীক্ষার্থীকে খাতা দিয়ে লিখতে সাহায্য করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে শিক্ষা সংসদ। এবং উত্তরপত্রে উত্তর সম্বলিত চিরকুট, টাকার নোট মিললেও সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে সংসদ। যদিও প্রত্যেক বছরই পরীক্ষার্থীদের জন্য এমন একাধিক নির্দেশকা সংসদের তরফে প্রকাশ করা হয়ে থাকে, এরমধ্যে অভিনবত্ব নেই বলেই জানান, সংসদের কর্মকর্তা সহ উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। আর এই নির্দেশিকা ২০০৬ সাল থেকেই চালু রয়েছে বলেও তিনি জানান।
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের এই নির্দেশিকাকে সমর্থনের পাশাপাশি নির্দেশ যাতে কার্যকরি হয় তার আবেদনও জানান বঙ্গীয় শিক্ষা সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। এখন দেখার আগামীদিনে আদতে এই নির্দেশিকা কার্যকর হয় কি না, নজর থাকবে সেদিকেই।