চোর সন্দেহে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে খুন ভাঙড়ে। প্রৌঢ়-র মৃত্যুর পিছনে গণপিটুনি কি না তা নিয়ে ধন্দে ছিল পুলিস-ই। দাবি করা হচ্ছিল, মৃতের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। হাঁটুর নীচের দিকে একটি ক্ষত দেখা গিয়েছে। কিন...
চোর সন্দেহে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে খুন ভাঙড়ে। প্রৌঢ়-র মৃত্যুর পিছনে গণপিটুনি কি না তা নিয়ে ধন্দে ছিল পুলিস-ই। দাবি করা হচ্ছিল, মৃতের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। হাঁটুর নীচের দিকে একটি ক্ষত দেখা গিয়েছে। কিন্তু সেটি পুরনো। এই অবস্থায় প্রৌঢ়ের মৃত্যুর নেপথ্যে গণপিটুনি না অন্য কিছু, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে ঘটনাস্থলের আশেপাশের দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিস। কলকাতা পুলিসের এসিপি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করা হয়।
আশপাশের দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার পর আজগরকে মারধরের ব্যাপারে নিশ্চিত পুলিস। সূ্ত্রের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে আজগরকে মারধর করতে দেখা গিয়েছে। দুজনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তাদের আটক করা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
রবিবার ভোরের দিকে ভাঙড় বাজারে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয় আজগর মোল্লা নামে এক প্রৌঢ়কে। সেই ঘটনার ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থল কর্ডন করে পুলিস। এই ঘটনায় গোড়া থেকেই পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পিটিয়ে খুনের ঘটনার তদন্তে পুলিসের ঢিলেমিতে সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।