রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইয়ের উপর হামলার ছকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার তিন। পাক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে STF। ঘটনায় নির...
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইয়ের উপর হামলার ছকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার তিন। পাক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে STF। ঘটনায় নিরাপত্তা বাড়ল প্রতিমন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিজেপি বিধায়ক উমেশ রাইয়ের। হাওড়া পুলিস কমিশনারেটের তরফে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। জঙ্গি নিশানায় উমেশ রাই, এই তথ্য পাওয়ার পরই হাওড়া পুলিসকে নির্দেশ নবান্নের।
সিএন-র মুখোমুখি হয়ে উমেশ রাই বলেন, আমাকে কেন মারবে বুঝতে পারছি না? আমাকে কেন টার্গেট করা হল? পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীকে টার্গেটের প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, মমতার আমলে ওদের সেফ জায়গা ছিল। সেটা থেকে বাদ গেছে। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে আর কার্যকলাপ করতে পারবে না, তাই টার্গেট করা হয়েছে।
উমেশ রাইয়ের বাড়ির ৫০০ মিটারের মধ্যেই হামিম মণ্ডল ও আদিত্য সিং থাকতেন। উমেশ রাইয়ের ছেলেকে 'হানিট্র্যাপে' ফেলে তথ্য হাতানোর ছকও কষেছিল জঙ্গিরা। মন্ত্রী বাড়ি রেইকি করে তাদের ছবি ভিডিও আদানপ্রদান হত হামিম ও আদিত্যের মধ্যে, তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। তবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে বেশি চিন্তিত নয় বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
পয়সার জন্য এরা সব কিছু করে। পাকিস্তানের আতঙ্কবাদীদের জন্য এরা কাজ করে। তবে এদের মত যারা রয়েছে তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই।
পাক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হামিম মণ্ডলকে বর্ধমানের রেনেসাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরই STF-র জালের তার বিশেষ বান্ধবী অর্পিতা সরকার। হামিমকে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে আদিত্য সিংয়ের নাম। এরপরই হাওড়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। বাংলার বুকে বসেই পাক যোগে নাশকতার ছক কষে ছিল তরুণ। এইভাবে তরুণ-তরুণীদের টার্গেট করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা? তবে এর শিকড় কত দূর বিস্তৃত তা খুঁজতে মরিয়া তদন্তকারীরা।