ফেনসিডিল পাচার চক্র রোধে পুলিস ও বিএসএফের হাতাহাতি। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের হাতে আক্রান্ত হয় পুলিস। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাশির সিরাপ পাচারের অভিযানে নামে পুলিস। সেখানে পুলিসকে বাধা দেয় সীমান্তরক...
ফেনসিডিল পাচার চক্র রোধে পুলিস ও বিএসএফের হাতাহাতি। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের হাতে আক্রান্ত হয় পুলিস। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাশির সিরাপ পাচারের অভিযানে নামে পুলিস। সেখানে পুলিসকে বাধা দেয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এমনকি পুলিসকর্মীদের মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, পুলিসের কাছে আগে থেকেই খবর ছিল কাশির সিরাপ পাচারের চেষ্টা করছে চোরাচালানকারীরা। সেই মতো খবর পাওয়া মাত্রই পুলিস সেখানে পৌঁছয়। সেখানে সাদা পোশাকে এক বিএসএফ জওয়ান দাঁড়িয়ে ছিলেন। পুলিসের সন্দেহ হয় তিনি পাচারকারী। পুলিস ওই বিএসএফ জওয়ানকে পাচারকারী সন্দেহে আটক করে ও বাক্স গুলো বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। সেই সময় আরও বিএসএফ জওয়ান সেখানে উপস্থিত হয়। তাঁরা দাবি করে, যাকে আটক করা হয়েছে তিনি বিএসএফ কর্মী এবং পাচার রুখতে তিনি সাদা পোশাকে নজরদারি করছিলেন। এই নিয়ে দুপক্ষের বচসা ও ধস্তাধস্তি হয়।
এই ঘটনায় একজন এ এস আই, একজন কনস্টেবল, দুজন হোম গার্ড ও এক সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হন। পরে বিশাল পুলিস বাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান অতিরিক্ত পুলিস সুপার ও ডিএসপি। তাঁরা বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারেন ভুল বোঝাবুঝির জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। এরপরই আটক বিএসএফ জওয়ানকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রায় ১৭০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার হয়েছে। বিএসএফ ও পুলিস যৌথভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে।