Calcutta Television Network

RAW-কে ব্যান করতে চায় আমেরিকা? | THE BIG STORY

RAW-কে ব্যান করতে চায় আমেরিকা? | THE BIG STORY
RAW-কে ব্যান করতে চায় আমেরিকা? | THE BIG STORY ২০২৬ সালের ভূ-রাজনীতিতে এক চাঞ্চল্যকর মোড়! কলকাতা বিমানবন্দর থেকে এনআইএ (NIA) গ্রেফতার করল আমেরিকান নাগরিক ম্যাথিউ ভ্যানডাইক-কে। সাথে দিল্লি এবং লখনউ থেকে ধরা পড়েছে ৬ জন ইউক্রেনীয়। কেন এই বিদেশি নাগরিকরা মিজোরামের নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে মায়ানমারের বিদ্রোহীদের ড্রোন যুদ্ধের ট্রেনিং দিচ্ছিল? আমেরিকার সংস্থা USCIRF কেন ভারতের R&AW এবং RSS-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা চাইছে? এর পেছনে কি সিআইএ-র (CIA) কোনো গভীর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে? আজ আমরা এই ভিডিওতে ম্যাথিউ ভ্যানডাইকের অন্ধকার অতীত এবং ভারতের বিরুদ্ধে চলা হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারের মুখোশ খুলে দেব। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। এই ভিডিওর মূল বিশ্লেষণসমূহ: গ্রেফতারি ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ম্যাথিউ ভ্যানডাইক এবং ইউক্রেনীয় নাগরিকদের গ্রেফতারির পেছনের আসল উদ্দেশ্য। ম্যাথিউ ভ্যানডাইকের প্রোফাইল: একজন সাধারণ পর্যটক বনাম একজন পেশাদার 'মার্সেনারি' বা ভাড়াটে সৈনিকের অন্ধকার অতীত (লিবিয়া, সিরিয়া ও ইউক্রেন কানেকশন)। ড্রোন ওয়ারফেয়ার ও হাইব্রিড যুদ্ধ: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (মিজোরাম সীমান্ত) ড্রোন টেকনোলজি এবং বিদ্রোহীদের ট্রেনিং দেওয়ার মাধ্যমে ভারতকে অস্থির করার নীল নকশা। ভূ-রাজনৈতিক ডাবল গেম: একদিকে আমেরিকার বন্ধুত্ব, অন্যদিকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা R&AW এবং RSS-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি (USCIRF রিপোর্ট) নিয়ে আমেরিকার দ্বিচারিতা। মিশনারি নেক্সাস ও অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা: গত এক দশকে ভারত কীভাবে বিদেশি ফান্ডিং এবং মিশনারি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে, তার প্রভাব। সিআইএ (CIA) ও মায়ানমার কানেকশন: মায়ানমারে প্রক্সি ওয়ার লড়তে ভারতকে 'বলির পাঁঠা' বানানোর চেষ্টা এবং মণিপুর-নাগাল্যান্ডে অস্থিরতা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র। ২০২৬-এর নতুন ভারত: বর্তমান সরকারের অধীনে ভারতের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির উত্থান এবং পশ্চিমি শক্তির 'চোখে চোখ রেখে' কথা বলার সক্ষমতা। Timestamps (ভিডিওর প্রধান অংশ) 00:00 – ইন্ট্রো 01:15 – কলকাতা বিমানবন্দরে এনআইএ-র বড় অপারেশন। 02:30 – কে এই ম্যাথিউ ভ্যানডাইক? লিবিয়া থেকে ইউক্রেন—এক মার্সেনারির কাহিনী 04:45 – মিজোরাম সীমান্ত এবং ড্রোন ওয়ারফেয়ারের গোপন নীল নকশা 06:20 – কেন USCIRF ভারতের R&AW-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা চাইছে? 08:10 – সিআইএ-র (CIA) ডাবল গেম এবং ভারতের কড়া জবাব 10:30 – ভারতের হাতে আসা সেই গোপন নথি: আমেরিকার মুখোশ কি খুলে যাবে? 12:15 – উপসংহার: ২০২৬-এর নতুন ভারত এবং আগামীর সুরক্ষা সিআইএ-র পরবর্তী চাল কী হতে চলেছে? ভারত কি পারবে আমেরিকার এই ডাবল গেমের মোক্ষম জবাব দিতে? এই ধরণের আরও চাঞ্চল্যকর এবং গভীর বিশ্লেষণের ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে সঙ্গে থাকুন। আজকের পর্ব আপনাদের কেমন লাগলো কমেন্টে জানান। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন এবং নিয়মিত আপডেট পেতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন ও বেল আইকন প্রেস করে আমাদের সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ।
শেয়ার করুন
RAW-কে ব্যান করতে চায় আমেরিকা? | THE BIG STORY ২০২৬ সালের ভূ-রাজনীতিতে এক চাঞ্চল্যকর মোড়! কলকাতা বিমানবন্দর থেকে এনআইএ (NIA) গ্রেফতার করল আমেরিকান নাগরিক ম্যাথিউ ভ্যানডাইক-কে। সাথে দিল্লি এবং লখনউ থেকে ধরা পড়েছে ৬ জন ইউক্রেনীয়। কেন এই বিদেশি নাগরিকরা মিজোরামের নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে মায়ানমারের বিদ্রোহীদের ড্রোন যুদ্ধের ট্রেনিং দিচ্ছিল? আমেরিকার সংস্থা USCIRF কেন ভারতের R&AW এবং RSS-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা চাইছে? এর পেছনে কি সিআইএ-র (CIA) কোনো গভীর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে? আজ আমরা এই ভিডিওতে ম্যাথিউ ভ্যানডাইকের অন্ধকার অতীত এবং ভারতের বিরুদ্ধে চলা হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারের মুখোশ খুলে দেব। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। এই ভিডিওর মূল বিশ্লেষণসমূহ: গ্রেফতারি ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ম্যাথিউ ভ্যানডাইক এবং ইউক্রেনীয় নাগরিকদের গ্রেফতারির পেছনের আসল উদ্দেশ্য। ম্যাথিউ ভ্যানডাইকের প্রোফাইল: একজন সাধারণ পর্যটক বনাম একজন পেশাদার 'মার্সেনারি' বা ভাড়াটে সৈনিকের অন্ধকার অতীত (লিবিয়া, সিরিয়া ও ইউক্রেন কানেকশন)। ড্রোন ওয়ারফেয়ার ও হাইব্রিড যুদ্ধ: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (মিজোরাম সীমান্ত) ড্রোন টেকনোলজি এবং বিদ্রোহীদের ট্রেনিং দেওয়ার মাধ্যমে ভারতকে অস্থির করার নীল নকশা। ভূ-রাজনৈতিক ডাবল গেম: একদিকে আমেরিকার বন্ধুত্ব, অন্যদিকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা R&AW এবং RSS-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি (USCIRF রিপোর্ট) নিয়ে আমেরিকার দ্বিচারিতা। মিশনারি নেক্সাস ও অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা: গত এক দশকে ভারত কীভাবে বিদেশি ফান্ডিং এবং মিশনারি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে, তার প্রভাব। সিআইএ (CIA) ও মায়ানমার কানেকশন: মায়ানমারে প্রক্সি ওয়ার লড়তে ভারতকে 'বলির পাঁঠা' বানানোর চেষ্টা এবং মণিপুর-নাগাল্যান্ডে অস্থিরতা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র। ২০২৬-এর নতুন ভারত: বর্তমান সরকারের অধীনে ভারতের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির উত্থান এবং পশ্চিমি শক্তির 'চোখে চোখ রেখে' কথা বলার সক্ষমতা। Timestamps (ভিডিওর প্রধান অংশ) 00:00 – ইন্ট্রো 01:15 – কলকাতা বিমানবন্দরে এনআইএ-র বড় অপারেশন। 02:30 – কে এই ম্যাথিউ ভ্যানডাইক? লিবিয়া থেকে ইউক্রেন—এক মার্সেনারির কাহিনী 04:45 – মিজোরাম সীমান্ত এবং ড্রোন ওয়ারফেয়ারের গোপন নীল নকশা 06:20 – কেন USCIRF ভারতের R&AW-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা চাইছে? 08:10 – সিআইএ-র (CIA) ডাবল গেম এবং ভারতের কড়া জবাব 10:30 – ভারতের হাতে আসা সেই গোপন নথি: আমেরিকার মুখোশ কি খুলে যাবে? 12:15 – উপসংহার: ২০২৬-এর নতুন ভারত এবং আগামীর সুরক্ষা সিআইএ-র পরবর্তী চাল কী হতে চলেছে? ভারত কি পারবে আমেরিকার এই ডাবল গেমের মোক্ষম জবাব দিতে? এই ধরণের আরও চাঞ্চল্যকর এবং গভীর বিশ্লেষণের ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে সঙ্গে থাকুন। আজকের পর্ব আপনাদের কেমন লাগলো কমেন্টে জানান। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন এবং নিয়মিত আপডেট পেতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন ও বেল আইকন প্রেস করে আমাদের সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ।
শেয়ার করুন
img
img
img
img
img
img
img
img
img
×
  • CTVN