শ্রীকৃষ্ণ প্রলম্ব ও অরিষ্টাসুরকে কেন বধ করলেন?
শ্রীকৃষ্ণ ভগবান বিষ্ণুর অবতার রূপে আবির্ভূত হয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অসুর ও অন্যান্য অশুভ শক্তিকে বধ করেছিলেন। এদের মধ্যে কংস, কালীয় নাগ, জরাসন্ধ, শিশুপাল, প্রলম্ব, ধেনুক, অরিষ্টাসুর, কবন্ধ, বকাসুর, অঘাসুর, এবং বহু অশুভ যোদ্ধাকে তিনি বধ করেছিলেন। তেমনি একজন ছিলেন রাক্ষস প্রলম্ব অন্য়জন অরিষ্টাসুর । আজ জানব শ্রীকৃষ্ণ এই অসুরদের কেন বধ করলেন।
কৃষ্ণ কংসকে বধ করবে, এই দৈববানী শোনার পর,কৃষ্ণের জন্মের পর থেকেই কংস বিভিন্ন ভাবে কৃষ্ণকে হত্য়া করার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বালক কৃষ্ণকে হত্যা করার জন্য় প্রলম্ব নামে এক অসুরকে গোকুলে পাঠান। মহাভারতে বর্ণিত তথ্য় অনুসারে, প্রলম্ব ছিল একটি রাক্ষস, যে রাখালের ছদ্মবেশে কৃষ্ণের গোপালক দলের সাথে মিশে গিয়েছিল। সে ছিল কংসের পাঠানো এক গুপ্তচর, যার কাজ ছিল কৃষ্ণকে হত্যা করা। এই ঘটনাটি শ্রীমদ্ভাগবতমের দশম স্কন্ধে বর্ণিত আছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রলম্ব রাক্ষস প্রথমে বলরামের গোপালক বন্ধুদের সাথে মিশে গিয়েছিল, কিন্তু পরে নিজের আসল রূপে আত্মপ্রকাশ করে এবং বলরামকে আক্রমণ করে। কৃষ্ণ ও বলরাম তাকে পরাজিত করেন এবং হত্যা করেন। প্রলম্বসুরের মৃত্য়ু সংবাদ পেয়ে কংস আরও ক্রোধিত হয়ে উঠলেন।
পুনরায় শ্রীকৃষ্ণকে হত্যার জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করলেন। এবার অরিষ্টটাসুর নামে আরও একটি রাক্ষসকে ব্রজধামে পাঠালেন।
অরিষ্টাসুর, কংসের পাঠানো এক শক্তিশালী অসুর ছিল, যে ষাঁড়ের রূপ ধারণ করে ব্রজভূমিতে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। শ্রীকৃষ্ণ যখন দেখলেন যে, অরিষ্টাসুরের অত্যাচারে ব্রজবাসী ভীত, তখন তিনি তার মোকাবিলা করার জন্য এগিয়ে যান। কৃষ্ণ অরিষ্টাসুরকে বধ করার জন্য প্রথমে তার শিং ধরে ফেলেন এবং তারপর তাকে মাটিতে আছাড় মেরে বধ করেন। এই ঘটনার পর, কংস যখন জানতে পারেন যে শ্রীকৃষ্ণই তার পাঠানো অসুরকে হত্যা করেছেন, তখন তিনি আরও ক্রুদ্ধ হন এবং শ্রীকৃষ্ণকে হত্যার জন্য নতুন পরিকল্পনা করতে থাকেন। শেয়ার করুন
শ্রীকৃষ্ণ প্রলম্ব ও অরিষ্টাসুরকে কেন বধ করলেন?
শ্রীকৃষ্ণ ভগবান বিষ্ণুর অবতার রূপে আবির্ভূত হয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অসুর ও অন্যান্য অশুভ শক্তিকে বধ করেছিলেন। এদের মধ্যে কংস, কালীয় নাগ, জরাসন্ধ, শিশুপাল, প্রলম্ব, ধেনুক, অরিষ্টাসুর, কবন্ধ, বকাসুর, অঘাসুর, এবং বহু অশুভ যোদ্ধাকে তিনি বধ করেছিলেন। তেমনি একজন ছিলেন রাক্ষস প্রলম্ব অন্য়জন অরিষ্টাসুর । আজ জানব শ্রীকৃষ্ণ এই অসুরদের কেন বধ করলেন।
কৃষ্ণ কংসকে বধ করবে, এই দৈববানী শোনার পর,কৃষ্ণের জন্মের পর থেকেই কংস বিভিন্ন ভাবে কৃষ্ণকে হত্য়া করার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বালক কৃষ্ণকে হত্যা করার জন্য় প্রলম্ব নামে এক অসুরকে গোকুলে পাঠান। মহাভারতে বর্ণিত তথ্য় অনুসারে, প্রলম্ব ছিল একটি রাক্ষস, যে রাখালের ছদ্মবেশে কৃষ্ণের গোপালক দলের সাথে মিশে গিয়েছিল। সে ছিল কংসের পাঠানো এক গুপ্তচর, যার কাজ ছিল কৃষ্ণকে হত্যা করা। এই ঘটনাটি শ্রীমদ্ভাগবতমের দশম স্কন্ধে বর্ণিত আছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রলম্ব রাক্ষস প্রথমে বলরামের গোপালক বন্ধুদের সাথে মিশে গিয়েছিল, কিন্তু পরে নিজের আসল রূপে আত্মপ্রকাশ করে এবং বলরামকে আক্রমণ করে। কৃষ্ণ ও বলরাম তাকে পরাজিত করেন এবং হত্যা করেন। প্রলম্বসুরের মৃত্য়ু সংবাদ পেয়ে কংস আরও ক্রোধিত হয়ে উঠলেন।
পুনরায় শ্রীকৃষ্ণকে হত্যার জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করলেন। এবার অরিষ্টটাসুর নামে আরও একটি রাক্ষসকে ব্রজধামে পাঠালেন।
অরিষ্টাসুর, কংসের পাঠানো এক শক্তিশালী অসুর ছিল, যে ষাঁড়ের রূপ ধারণ করে ব্রজভূমিতে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। শ্রীকৃষ্ণ যখন দেখলেন যে, অরিষ্টাসুরের অত্যাচারে ব্রজবাসী ভীত, তখন তিনি তার মোকাবিলা করার জন্য এগিয়ে যান। কৃষ্ণ অরিষ্টাসুরকে বধ করার জন্য প্রথমে তার শিং ধরে ফেলেন এবং তারপর তাকে মাটিতে আছাড় মেরে বধ করেন। এই ঘটনার পর, কংস যখন জানতে পারেন যে শ্রীকৃষ্ণই তার পাঠানো অসুরকে হত্যা করেছেন, তখন তিনি আরও ক্রুদ্ধ হন এবং শ্রীকৃষ্ণকে হত্যার জন্য নতুন পরিকল্পনা করতে থাকেন। শেয়ার করুন