ইরান সম্প্রতি তাদের নতুন লেজার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম উন্মোচন করেছে, যা দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই সিস্টেম মূলত ড্রোন, নিম্ন-উচ্চতার বিমান এবং ক্ষুদ্র আকাশীয় হুমকি মোকাবিলার জন্য তৈরি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান এই প্রযুক্তি উন্নয়নে চীন থেকে প্রাপ্ত কিছু লেজার সিস্টেমের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে। বিশেষ করে “Silent Hunter” নামক লেজার অস্ত্রের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এই ধরনের লেজার সিস্টেম ৩০–১০০ কিলোওয়াট শক্তি উৎপাদন করতে পারে এবং ৪ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম।
ইরানের দাবি, তাদের নতুন সিস্টেম ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এটি শুধু ড্রোন নয়, বরং হাইপারসনিক অস্ত্র ও স্টেলথ প্রযুক্তি ব্যবহারকারী যুদ্ধবিমান শনাক্ত ও প্রতিহত করতে সক্ষম। এর ফলে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে Anti-Access/Area Denial (A2/AD) কৌশল আরও শক্তিশালী করতে পারবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পে একটি বড় অগ্রগতি। পশ্চিমা চাপ ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়নে সক্ষম হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক করছে যে ইরানের এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
সারসংক্ষেপে বলা যায়, ইরানের নতুন লেজার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং কৌশলগত বার্তাও বহন করছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে আরও শক্তিশালী ভূমিকা নিতে চাইছে।
#IranDefense #LaserWeapons #MiddleEastSecurity #BreakingNews