ভারত সরকার শুক্রবার জানিয়েছে যে দেশের এলপিজি পরিস্থিতি আপাতত স্বাভাবিক থাকলেও তা মোটেই ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ’ নয়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
পেট্রোলিয়াম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন যে এলপিজি ব্যবহারের চাপ কমাতে ইতিমধ্যেই ১৩,৭০০ পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস (PNG) সংযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৫৫ লক্ষ রিফিল বুকিং একদিনে পাওয়া গেছে, তবে আতঙ্কজনিত বুকিং কিছুটা কমেছে। গত এক সপ্তাহে ১১,৩০০ টন বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ করা হয়েছে। হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মোট বাণিজ্যিক এলপিজির প্রায় ৫০% বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যাতে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত না হয়।
সরকার জানিয়েছে, এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কারণ চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেলে সংকট তৈরি হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৭,৫০০ গ্রাহক এলপিজি থেকে PNG-তে সরে গেছেন। কেন্দ্র রাজ্য সরকারগুলোকে নজরদারি বাড়াতে বলেছে যাতে মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
বন্দর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের রাজেশ কুমার সিনহা জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো সামুদ্রিক দুর্ঘটনা ঘটেনি এবং ভারতের ২২টি জাহাজ ও নাবিক নিরাপদে রয়েছে। কোনো বন্দরে জট নেই, ফলে সরবরাহ শৃঙ্খল আপাতত স্থিতিশীল।
তবুও সরকারের বক্তব্য স্পষ্ট—এলপিজি পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক এবং যুদ্ধ চলতে থাকলে সংকট আরও গভীর হতে পারে। তাই বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
Copyright © 2026 Calcuttatelevisionnetwork