তেহরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ইসলামাবাদ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। পাকিস্তান সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তাদের কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি সহ্য করা হবে না।
সরকার-সংযুক্ত পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরামের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, *“ইসরায়েলকে মনে রাখতে হবে, পাকিস্তান কোনো কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাব।”* এই বক্তব্য পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে।
ইসলামাবাদ জানিয়েছে, ইরানসহ বিশ্বের যেকোনো স্থানে তাদের কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এই কঠোর ভাষা পাকিস্তানের উদ্বেগকে প্রতিফলিত করে, কারণ পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের মধ্যে কূটনৈতিক মিশনগুলো ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই সতর্কবার্তা শুধু ইসরায়েলকে নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও বার্তা দিচ্ছে যে কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস হবে না। একই সঙ্গে এটি আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করছে। পাকিস্তানের এই অবস্থান প্রমাণ করে যে তারা কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত।