বলিউডের সলমন খান একজন সুপরিচিত অভিনেতা হওয়ার সঙ্গে একজন দক্ষ সঞ্চালকও বটে। এর আগে অভিনেতাকে একাধিকবার সঞ্চালনা করতে দেখা গেছে। বলাই বাহুল্য, প্রতিবছর তিনি 'বিগ বস্' রয়েলিটি শোয়ের সঞ্চলনা করে দর্শকদের মনে পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নিয়েছে। তবে, তিনি যতই কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ত থাকুক না কেন বিগত দুই বছর ধরে তাঁকে মৃত্যুভয় তাড়া করে বেড়াচ্ছে। ক্রমাগত লরেন্স বিশ্নোই গ্যাংয়ের থেকে খুনের হুমকি পেয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও, অভিনেতার সঙ্গে বিনোদন জগতের আর যাঁর যাঁর সঙ্গে পরিচিতি রয়েছে তাঁদের ওপরেই এই দল মাঝে মধ্যেই হামলা করছে।
এমনকি, অভিনেতার দেহরক্ষী ছাড়া কোথাও যাওয়ার জো নেই। এই গ্যাং গতবছর তাঁর বাড়ির ওপরে পর্যন্ত হামলা চালিয়েছিল। তবে, অভিনেতা মৃত্যুভয় কিংবা নিজের সুরক্ষাকে অবজ্ঞা করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো বিরতি না নিয়ে করে চলেছেন সিনেমার শুটিং এবং বিগ বস শোয়ের সঞ্চালনার কাজ। তিনি আবার ভারতীয় বিভিন্ন দামী সঞ্চালকদের মধ্যে একজন। অভিনেতার অনুরাগীদের মধ্যে এমনও শুনতে পাওয়া যায় যে তিনি এই রিয়েলিটি শোয়ের জন্য ১৫০কোটি টাকা। এটা কী আদৌ সত্যি?
দর্শকদের প্রতিবারের মতো এবারেও 'বিগ বস' নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই শোয়ে প্রতি সপ্তাহের শেষে দেখা যায় বিশেষ পর্বে হাজির হন সলমন খান। আর, প্রতিযোগীরা সারা সপ্তাহজুড়ে কে কি করেছে সেই নিয়ে কাটাছেঁড়া চলতে থাকে। এমনকি, প্রয়োজন পড়লে সঞ্চালক প্রতিযোগীদের বকাবকিও করে। এই সিজনে অভিনেতা মোট ১৫টি সপ্তাহে সঞ্চালনা করবেন। অভিনেতা প্রতি সপ্তাহের জন্য প্রায় ৮ থেকে ১০কোটি টাকা পারিশ্রমীকবাবদ পান। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে সব মিলিয়ে তাঁর ও পোগ্রাম থেকে যায় হয় ১৫০কোটি টাকা।
ঋষি নেইগি অর্থাৎ অনুষ্ঠানের প্রযোজক বলেন, অভিনেতার এই চুক্তিটা হয়েছে মূলত জিও-হটস্টারের সঙ্গে। সেটা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। উনি সপ্তাহের শেষে এখানে আসছেন, তাতেই খুশি। অন্যদিকে, অভিনেতা জানিয়েছেন, একটা সময়ে তাঁর আর ভালো লাগে না। মন ভালো থাকে না। শরীর না দিলেও কাজ চালিয়ে যেতে হয়। কাজ থামালে চলবে না।